ঢাকা,  বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ভাঙ্গুড়ায় দেড় লাখ ইট দেওয়ার নামে সোয়া ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৮:২৮, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভাঙ্গুড়ায় দেড় লাখ ইট দেওয়ার নামে সোয়া ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজের এক মালিককে। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দেড় লাখ ইট বিক্রির চুক্তি করে ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজের পাঁচ মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হয়েছে। মামলার পর লিটন হোসেন নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভুক্তভোগী খুরশিদা পারভীন দীনা গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ভাঙ্গুড়া থানায় মামলাটি করেন।

মামলা ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গুড়া উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের শাহানগর এলাকায় কয়েক বছর আগে উত্তর মেন্দা এলাকার আলমগীর হোসেন, মসজিদপাড়ার লিটন হোসেন, মাহাফুজুর রহমান হেলু, কুমড়াডাঙ্গা এলাকার ইকরামুল হক ও দক্ষিণ মেন্দা পালপাড়ার মিন্টু কুমার দে মিলে মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ইটভাটা প্রতিষ্ঠা করেন।

Advertisement

অভিযোগে বলা হয়, ভাটা চালুর পর অগ্রিম ইট বিক্রির কথা বলে সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা নেওয়া হয়। পরে ভাটার কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্টরা আত্মগোপনে চলে যান। এতে ইটের জন্য টাকা দেওয়া অনেক ক্রেতা দীর্ঘদিন ধরে ইট কিংবা পাওনা টাকা ফেরত না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে আসছিলেন।

এজাহারে খুরশিদা পারভীন দীনা উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর বিকেলে মেসার্স পদ্মা এন্টারপ্রাইজের কার্যালয়ে দেড় লাখ ইট কেনার জন্য তিনি ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেন। অভিযুক্তদের একজন টাকা গ্রহণ করে তাকে মানি রসিদ দেন। এ সময় মৌখিকভাবে চুক্তি হয়, প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে তিনি ইট নিতে পারবেন।

কিন্তু পরবর্তীতে ইট নিতে গেলে অভিযুক্তরা বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর গত ২০ আগস্ট বিকেলে বকুলতলা মোড়ে অভিযুক্তদের কাছে ইট অথবা টাকা ফেরত চান তিনি। এ সময় তারা ইট কিংবা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, পদ্মা এন্টারপ্রাইজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাফুজুর রহমান হেলু ১০ থেকে ১২ বছরে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাৎ করে ঢাকায় চলে গেছেন। এতে অন্য অংশীদাররাও বিপাকে পড়েছেন।

আলমগীর হোসেন আরও দাবি করেন, তিনি ও ইকরামুল হক ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে তাদের অংশের টাকা পরিশোধ করেছেন। এ-সংক্রান্ত নথিপত্র তাদের কাছে রয়েছে। তবে অন্য অংশীদারদের অংশের টাকা পরিশোধ করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিউল আযম বলেন, প্রতারণার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৪০৬, ৪২০ ও ৩৪ ধারায় মামলা হয়েছে। এজাহারভুক্ত একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/পাবনা/এমকে
ট্যাগ: পাবনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!