রেশমা রমজান মাসে শুটিং থেকে ফিরতেই বেজে যাচ্ছে রাত ১টা কিংবা ২টা। তার ভাষ্যে, আমার রোজা হয়ে যাচ্ছে ২০ ঘন্টা। রোজায় বরং দ্রুত কাজ করতে পারছি। একদম কষ্ট হচ্ছেই না।
তিনি বিষয়টি খুলে বললেন, আমি প্রতিদিন মধ্যরাতে বাসায় ফিরি। বাসায় ফিরে ফ্রেশ হয়ে খেয়ে পরদিনের শুটিংয়ের জন্য গোছগাছ করে শুয়ে পড়ি। মন চাইলে অনেক সময় রান্না করে নিই ফিরে। সেহরির জন্য আলাদা করে খাওয়া হয় না। ইফতার করি শুটিং সেটে। খেজুর, ওটস, দুধ, কলা ও ফলমূল দিয়ে একটি কাস্টার্ড বানিয়ে নিই। সেটিই হয় আমার ইফতার। শুটিংয়েই নামায পড়ি।
.png)
রেশমা জানালেন ঈদ উপলক্ষ্যে নিজের চেয়ে অন্যদের জন্য কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন তিনি। তিনি বলেন, ঈদে আত্মীয়-স্বজন, ভাই-বোনদের সহযোগিতা করি। তাদের জন্য কেনাকাটা করে নিজের জন্য আলাদা করে শপিং করি না। যেসব উপহার পাই তা দিয়েই ঈদ কাটিয়ে দিই। পাশাপাশি বাড়ির দারোয়ান, বুয়া ওদের জন্যও কিছু করি।
ঈদের দিন কেমন কাটবে জানতে চাইলে রেশমার উত্তর, আমি চাঁদ রাতে রান্না করে রাখি। পোলাও, রোস্ট, গরুর মাংশ – সাধারণ সব রান্না। বিশেষ কোনও পদ করি না। আমাদের পরিবারে খাদ্যবিলাস হয় না। সকালে উঠে রান্না করতে পারি না। ঈদের দিন আমি ঘুমাবো। বিকেলে উঠে বের হবো। ঈদের পরদিন সবাইকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাব। ওখানে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সময় কাটাবো।