দেশটিতে এত বেশি বিমান দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে এখাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব এবং নিরাপত্তার ঘাটতি। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রকাশ করার পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০১৩ সাল থেকে নেপালকে কালো তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে। এছাড়া হিমালয়ের দেশ নেপাল থেকে তার আকাশসীমায় সমস্ত ফ্লাইট নিষিদ্ধ করে।
নেপালে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিমান দুর্ঘটনা-
.png)
২০২২ সাল: সেই বছরের মে মাসে তারা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ২২ জন আরোহী মারা যায়। যার মধ্যে চারজন ছিল ভারতের।
২০১৬ সাল: তারা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ২৩ জন আরোহী নিয়ে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে সকল আরোহীর মৃত্যু হয়।
২০১৮ সাল: ইউএস-বাংলার একটি বিমান ওই বছরের মার্চে নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্তের শিকার হয়। এতে বিমানটির ৫১ জন যাত্রী নিহত হয়।
২০১৫ সাল: মার্চে একটি তুর্কী বিমান রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লে ত্রিভূবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চারদিনের জন্য বন্ধ রাখতে হয়।
২০১৪ সাল: ওই বছরের ফেব্রুয়ারিতে পোখারা থেকে জুমলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া নেপাল এয়ারলাইন্স কর্পোরেশনের বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৮ জন নিহত।
২০১২ সাল: সেপ্টেম্বরে সিতা নামের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানটিতে ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করতে গেলে বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। এতে ১৯ জন যাত্রী নিহত হয়। এর আগে ১৪ মার্চ পোখরা থেকে জমসন বিমানবন্দরে যাওয়ার সময় জমসন বিমানবন্দরে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৫ জন যাত্রী নিহত হয়।