এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডন-এর বিজ্ঞানীরা। তারা দেখেছেন, স্যামনসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ এবং কিছু ফল ও সবজিতে নিউক্লিওসাইড নামে এক ধরনের বিশেষ যৌগ পাওয়া যায়।
এই যৌগ টিউমার কোষের প্রতিলিপি (ডিভিশন) রোধ করে। ফলে এটি ক্যান্সারের বিস্তার কমাতে সাহায্য করে। বিশেষ করে, স্যামন মাছের ভেতরে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ কমিয়ে ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
.png)
স্যামন মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং শরীরে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রদাহ কমলে টিউমার কোষের বৃদ্ধি ধীরে ধীরে রোধ হতে পারে। এই গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, স্যামন এবং অন্যান্য মাছের নিয়মিত সেবন ক্যান্সারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
গবেষকরা আরো উল্লেখ করেছেন যে, সবুজ শাক-সবজি, ফলমূল, বাদাম এবং বীজের মতো অন্যান্য খাবারেও ক্যান্সার প্রতিরোধী যৌগ রয়েছে। এ ধরনের খাবারে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং পলিফেনল থাকে।
এগুলো শরীরে ফ্রি র্যাডিক্যাল বা মুক্তমূলকের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। ফ্রি র্যাডিক্যাল কোষের ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
এই গবেষণার ফলাফল চিকিৎসা বিজ্ঞানের নতুন ক্ষেত্র খুলে দিয়েছে। খাদ্য থেকে প্রাপ্ত ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদানগুলো নিয়ে আরো বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে, তবে এই গবেষণার ভিত্তিতে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানোর সম্ভাবনা উন্মোচিত হয়েছে। গবেষকরা বলছেন যে, স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অর্থাৎ, স্যামন, সবুজ শাক-সবজি এবং ফলমূলের মতো স্বাস্থ্যকর খাবার নিয়মিত সেবন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
সূত্র: সাইটেক ডেইলি