ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ তথ্য প্রযুক্তি ]
বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

মানহীন টাওয়ারের কারণেই বিদ্যুৎ গেলেই মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকছে না

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২২:০৬, ২৮ মে ২০২৪
মানহীন টাওয়ারের কারণেই বিদ্যুৎ গেলেই মোবাইল নেটওয়ার্ক থাকছে না
অলংকরণ: ডেইলি বাংলাদেশ

দেশের টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সেবায় গ্রাহকের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেলেও মানহীন সেবা গ্রাহক ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আর এর জন্য দায়ী অপর্যাপ্ত টাওয়ার, মানহীন মাইক্রোওয়েভ, মানহীন ব্যাটারি, ওভার হেড ফাইবার, জেনারেটর না থাকা বলে মনে করেন গ্রাহক অধিকার নিয়ে সোচ্চার সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে সক্রিয় মোবাইল সিম গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ১৯ কোটি ২৬ লাখ অথচ এর বিপরীতে যেখানে টাওয়ার থাকার কথা প্রায় লক্ষাধিক সেখানে আছে মাত্র ৪৫ হাজার ২৩১টি।

এরমধ্যে রবি আজ এটা লিমিটেডের ২ হাজার ২৯৬, গ্রামীণফোনের ১২ হাজার ৫২৬, বাংলালিংক ৪০০৬, টেলিটক ৬২১ এবং এবি হাইটেক কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এর ৮৬০, ইডটকো লিমিটেডের ১৬ হাজার ৬৮৩, সামিট ৪৩৮৮, ও কীর্তনখোলা ৬২১ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিসিএলের ৫১৪টি।

Advertisement

আবার ২০১৮ সালে বিটিআরসি বেসরকারি চারটি টাওয়ারকো কোম্পানির লাইসেন্স প্রদান করে যে নীতিমালা তৈরি করেছে, সেখানে বলা আছে মোবাইল অপারেটর নতুন করে আর টাওয়ার তৈরি করতে পারবে না। অর্থাৎ টাওয়ারকো কোম্পানি থেকে তাদের অর্থের বিনিময়ে সার্ভিস নিতে হবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই টাওয়ার কোম্পানিগুলো মূলত মোবাইল অপারেটর থেকে টাওয়ারগুলো কিনেছে। এই টাওয়ারগুলোর মাইক্রোওয়েভ মানসম্মত নয়, সেইসঙ্গে ব্যাটারিগুলো মানহীন হয়ে পড়েছে। যেখানে ৬ ঘণ্টা পাওয়ার ব্যাক দেওয়ার কথা সেখানে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নেটওয়ার্ক অচল হওয়ার কারণ কি?

টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় ও বিটিআরসির কাছে আমাদের অনুরোধ- মাইক্রোওয়েভের মান এবং ব্যাটারি ধরন পর্যবেক্ষণ করা। সেইসাথে দেশের ফাইবার অপটিক্যাল এখনো ৬৫ শতাংশ ওভারহেড থাকায় ঝড়-বৃষ্টি এলেই কেটে যাচ্ছে ফাইবার। ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে নেটওয়ার্ক। বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান করার জন্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট মহল উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে আরও বড় বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!