কিম জং উনের ওজন কমায় ‘কাঁদছে উত্তর কোরিয়ার মানুষ’
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষনেতা কিম জং উনের ওজন কমায় দেশটির সব নাগরিকের মন খারাপ। অনেকেই দুঃখে চোখের পানি ফেলেছেন। শুক্রবার দেশটির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কেআরটিতে প্রচারিত সাক্ষাৎকারে এক ব্যক্তি এই কথা বলেছেন।
টেলিভিশনে চলতি মাসে উনের বিভিন্ন ভিডিও দেখে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ৩৭ বছরের এই নেতা শরীরে ওজন বেশ কমিয়েছেন।
শুক্রবার প্রচারিত সাক্ষাৎকারে অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তি বলেছেন, সম্মানিত মহাসচিবকে (কিম জং উন) ক্ষীনকায় দেখে আমাদের জনগণের মন একেবারে ভেঙে গেছে। সবাই বলছে তাদের বুকে ফেটে কান্না এসেছে।
.png)
একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা গেছে, রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের বাসিন্দারা রাস্তায় বড় টেলিভিশনের পর্দায় কিম জং উন ও ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাদের যোগ দেওয়া একটি অনুষ্ঠান দেখছেন। তবে কী কারণে বা কীভাবে উনের ওজন কমলো সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি কেআরটি।
উল্লেখ্য, ৩৭ বছর বয়সী কিম জং উনের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রায়ই ব্যাপক জল্পনা হয়ে থাকে। সম্প্রতি বিভিন্ন টেলিভিশন ফুটেজে তাকে বেশ পাতলা দেখা যায়। গত বছর প্রয়াত দাদার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকার পর কিমের স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যাপক জল্পনা হয়। ওই ঘটনার পর কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে অনুপস্থিত থাকেন তিনি।
চেইন স্মোকার কিম জং উন ২০১১ সালে ক্ষমতা নেয়ার পর থেকেই তাকে মোটা দেখে অভ্যস্ত সবাই। গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জানায় কিমের ওজন ছিল ১৩৬ কেজিরও বেশি।