বুধবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে খারসনের স্থানীয় কাউন্সিলের এক সদস্যের বরাতে বলা হয়, শহরে লড়াইয়ে ২০০ জন মানুষ নিহত হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।
.png)
খারসনে প্রায় আড়াই লাখ মানুষের বসবাস। এরই মধ্যে শহরের মেয়র কেন্দ্রীয় সরকার ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন। খাদ্য, ওষুধসহ প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোর সরবরাহ নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছেন তারা। একইসঙ্গে রয়েছে আহত ব্যক্তিদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার অনুরোধও।
এর আগে বিবিসিসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছিল, ইউক্রেনের আরও কয়েকটি শহরের নিয়ন্ত্রণ রাশিয়া। তবে বর্তমানে রাজধানী কিয়েভ দখলে রুশ সেনাদের ৪০ মাইল দীর্ঘ একটি বহর এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরো পড়ুন> লড়াইয়ের মাঝে ফুরালো গাড়ির তেল, যা ঘটলো দুই রুশ সেনার ভাগ্যে
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করছে রাশিয়া। অভিযান শুরুর পর গত কয়েক দিনে রুশ বাহিনী দেশটির রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন শহরে ঢুকে পড়েছে। এসব শহরের রাস্তায় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার খারসন শহরের কেন্দ্রস্থল রুশ সেনারা ঘিরে ফেলেছে বলে জানায় বিবিসি। সে সময় ইউক্রেনের সরকারি কর্মকর্তারা বলেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনী খারসনে হামলা শুরু করেছে। খারসন রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ার কাছের শহর। ইউক্রেনের দক্ষিণে মাইকোলেইভ ও নিউ কাকহোভকা শহরের মধ্যে এর অবস্থান।
ঐ দিন দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইউক্রেন টোয়েন্টিফোরকে সাংবাদিক এলিনা পানিনাও একই কথা জানান।
তিনি বলেন, রুশ সেনারা শহরটি ঘিরে ফেলেছে। সবদিকে রাশিয়ার সেনা এবং সামরিক সরঞ্জাম দেখা যাচ্ছে।