ইকুয়েডরের ৩ রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় ইকুয়েডরের পশ্চিমের তিনটি প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দিয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো। প্রেসিডেন্ট গুইলারমো ল্যাসো এক টুইট বার্তায় জানান, তিনটি প্রদেশে কারফিউ জারি করা হবে। আর সেখানে ‘শান্তি শৃঙ্খলা’ বজায় রাখার জন্য হাজারো সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হবে।
গত বছর দায়িত্ব নেয়ার পরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিরসনে এটি প্রেসিডেন্টের দ্বিতীয় কারফিউ জারির ঘটনা।
লাসো নামে এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, তিনটি প্রদেশজুড়ে ৪ হাজার পুলিশ কর্মকর্তা এবং ৫ হাজার সেনা কর্মকর্তা মোতায়েন করা হবে। সেখানকার স্থানীয় জনগণকে ভয়ভীতির মধ্যে রাখা আমাদের লক্ষ্য নয়। সন্ত্রাসীদের জন্য দেশের জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলার বিঘ্ন ঘটতে পারে না।
আরো পড়ুন: ভিয়েতনামে বিশ্বের ‘দীর্ঘতম’ কাঁচের সেতু চালু
মাদক চোরাচালানের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে ইকুয়েডর ব্যবহৃত হয়। প্রতিবেশী দেশ পেরু ও কলম্বিয়াতে মাদক চোরাচালানে ইকুয়েডরকে ব্যবহার করা হয়। মেক্সিকোর শক্তিশালী মাদক পাচারকারী গোষ্ঠী মাদক পাচার নিয়ন্ত্রণ করে। এ কারণে দেশটিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
গত বছরের অক্টোবরে দেশটির একটি কারাগারের ভেতরে সহিংসতায় ১১৯ জন মারা যায়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে ৬০ দিনের কারফিউ জারি করেন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু কারফিউ শেষ হওয়ার পর একই কারাগারে ৬৮ জন সহিংসতায় মারা যায়।
তবে কারফিউ জারির ঘটনা নিয়ে সাংবিধানিক আইন ভঙ্গের অভিযোগে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। কারণ ইকুয়েডরের সংবিধান অনুসারে কারফিউ জারির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩০ দিন। আর এ সময় সেনা সদস্যরা শুধুমাত্র পুলিশের বিভিন্ন অপারেশনে সাহায্য করবে।