সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে জানা গেছে, গত জানুয়ারির পর এটাই চীনের সর্বোচ্চ সংখ্যক যুদ্ধবিমান অনুপ্রবেশের ঘটনা। মাত্র কয়েকদিন আগেই তাইওয়ানে আক্রমণের বিষয়ে চীনকে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এছাড়া সম্প্রতি এক মার্কিন কর্মকর্তা তাইওয়ানের নেতাদের সঙ্গে নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করতে দ্বীপটিতে সফর করেছেন।
আরো পড়ুন: মারিউপোলে ১৬ হাজার বাসিন্দাকে গণকবর দিয়েছে রুশ বাহিনী: মেয়র
.png)
গত কয়েক মাস ধরেই তাইওয়ানের আকাশসীমায় চীনের যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ বাড়তে দেখা গেছে। যদিও বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবেই এসব যুদ্ধবিমান পাঠানো হয়েছে।
কিন্তু চীনের এমন কর্মকাণ্ডে তাইওয়ানে ক্ষোভ বেড়ে গেছে এবং ওই অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীন তাইওয়ানকে তাদের একটি বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসাবে মনে করে। কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র বলেই দাবি করে আসছে।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার ২২টি যুদ্ধবিমানের সঙ্গে ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান, আগাম সতর্কতা ও অ্যান্টি-সাবমেরিন বিমানও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
তাইওয়ানের প্রতাস দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পূর্ব দিকে এসব যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে। ওই এলাকা তাইওয়ানের বিমান প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চলের (এডিআইজেড) অংশ।