সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৫ বছরের মধ্যে এই প্রথম মার্কিন হাউসের কোনো স্পিকার তাইওয়ান সফর করলেন। এ সফর নিয়ে কয়েকদিন ধরে মার্কিন-চীন সম্পর্ক নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এমনকি জো বাইডেন প্রশাসনের সতর্কতা সত্ত্বেও তাইওয়ানে অবতরণ করেছেন পেলোসি।
ন্যান্সি পেলোসির এ সফরকে কেন্দ্র করো আমেরিকা-চীন বৈরিতা এখন তুঙ্গে। চীনের পর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।
.png)
যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, মার্কিন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সম্ভাব্য তাইওয়ান সফরকে ঘিরে চীন যেন কোনো উত্তেজনা সৃষ্টি না করে। পেলোসির তাইওয়ান সফরের অধিকার আছে।
হোয়াইট হাউস হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, পেলোসি তাইওয়ান যাচ্ছেন বলে চীন উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে, এটা হতে পারে না। তারা চীনকে সুর নরম করতে বলেছে।
চীন জানিয়েছিল, পেলোসির তাইওয়ান সফর খুবই উসকানিমূলক এবং চীনের সেনারাও খুব একটা দূরে নেই। কিন্তু হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তাইওয়ান যাবেন কি না, সেটা শেষ পর্যন্ত পেলোসিই ঠিক করবেন।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন ন্যান্সি পেলোসি তার চলমান এশিয়া সফরে যদি তাইওয়ানে আসেন, তাহলে তা এই অঞ্চলে অশান্তি উসকে দিতে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে।