ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

কাতার বিশ্বকাপে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অ্যামনেস্টির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:৪৭, ১৬ জুন ২০২৩
কাতার বিশ্বকাপে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অ্যামনেস্টির
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল বিশ্বকাপে চোখ ধাঁধানো সব আয়োজনের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল কাতার। তবে সেই বিশ্বকাপে অভিবাসী শ্রমিকরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তাদের তদন্তে উঠে এসেছে বিশ্বকাপের অবকাঠামো খাতে কাজ করা শ্রমিকদের প্রাপ্য মজুরি না পাওয়ার বিষয়টিও।

মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের তদন্তে জানা যায়, দেশটিতে কাজ করা শ্রমিকদের এখনো প্রাপ্য সম্মানী দেয়া হয়নি। নিপীড়নের শিকার হয়েছেন কাতার বিশ্বকাপে কাজ করা প্রবাসী শ্রমিকরা।

কাতার বিশ্বকাপে শত শত নিরাপত্তারক্ষী এবং মার্শাল দীর্ঘদিন ছুটি ছাড়াই কাজ করেছেন। অনেকেই ঋণ নিয়ে কাজ করতে আসলেও সেই ঋণ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট উপার্জন হয়নি তাদের।

Advertisement

আরো পড়ুন>> দক্ষিণ কোরিয়ার বন্দরে পরমাণু চালিত মার্কিন সাবমেরিন

মানবাধিকার সংস্থাটি টিজার সিকিউরিটি সার্ভিসেস নামের একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিবাসী শ্রমিকদের নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছে।

এ নিয়ে নেপাল, কেনিয়া এবং ঘানার শ্রমিকদের সাথে কথা বলেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। শ্রমিকরা বিশ্বকাপ সাইটে মার্শাল এবং নিরাপত্তা প্রহরী হিসাবে কাজ করেছিলেন। তারা বেশিরভাগই জানিয়েছেন অসন্তোষের কথা। বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে কাজ করতে যাওয়া হাজারো শ্রমিকের প্রাপ্য টাকা এখনো আটকে রেখেছে বেশকিছু এজেন্সি।

সাক্ষাৎকার নেয়া সমস্ত কর্মী তাদের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়ার কথা বলেছেন। টিজারের পক্ষ থেকে প্রতি মাসে অতিরিক্ত ২২০ পাউন্ড উপার্জনের পাশাপাশি অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কথা বলা হলেও কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি।

আরো পড়ুন>> মালাবদলের আগেই চাইলেন যৌতুক, পাত্রকে গাছে বেঁধে রাখল পাত্রীপক্ষ

অ্যামনেস্টির হেড অফ ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস স্টিভ ককবার্ন এরইমধ্যে ফিফাকে সমস্যাটি তদন্ত করতে বা প্রতিকার করার প্রস্তাব জানিয়েছে।

সাক্ষাৎকার নেয়া শ্রমিকদের এক তৃতীয়াংশই মার্শাল হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। জানুয়ারিতে তাদের চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কয়েক দিন আগে শত শত মার্শাল তাদের বকেয়া বেতনের দাবিতে একটি বিক্ষোভ করায় টিজার এবং সরকার উভয়ের প্রতিনিধিরা তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

কিন্তু অ্যামনেস্টির কাছে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে টিজার। আর উত্থাপিত সমস্যাগুলির প্রতিকার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়নি বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!