মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একই দিনে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত তিন ইসরায়েলি আহত হয়েছেন।
বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলি বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে।
.png)
ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের সাফেদ শহরের জিভ মেডিক্যাল সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালের দিকে লেবানন থেকে ছোড়া ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর ইসরায়েলের মেটুলা শহরে আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। আহতরা বেসামরিক নাগরিক নাকি সামরিক বাহিনীর সদস্য তাৎক্ষণিকভাবে তা পরিষ্কার হওয়া যায়নি। তবে হামলার পর লেবানন সীমান্তের কাছের গ্রামগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইসরায়েল।
লেবাননের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি বলছে, দক্ষিণ লেবাননের সীমান্তের কিছু এলাকায় কামান ও সাদা ফসফরাস নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েল। আর ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে, সীমান্তের ওপার থেকে ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর ইসরায়েলে আঘাত হানার পর তাদের ট্যাংকগুলো লেবাননে পাল্টা গোলাবর্ষণ করেছে।
মঙ্গলবার সকালের দিকে ইসরায়লের সেনাবাহিনী জানায়, ইসরায়েল-লেবানন সীমান্তে বিস্ফোরক ডিভাইস স্থাপনের চেষ্টার সময় হিজবুল্লাহর সদস্যদের সাথে সৈন্যদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে ইসরায়েলি সৈন্যদের গুলিতে হিজবুল্লাহর চার সৈন্য নিহত হয়েছেন।
গত সপ্তাহে দক্ষিণ লেবাননে সক্রিয় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী আরেক গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদের সদস্যরা সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলে ঢুকে পড়েন। এ সময় ইসরায়েলি সেনাদের সাথে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন নিহত ও আরও কয়েকজন আহত হন।
গাজায় ইসরায়েলের পরিকল্পিত স্থল অভিযান ঘিরে হামাসের প্রতি সমর্থন জানিয়ে লেবাননের হিজবুল্লাহ এবং ওই অঞ্চলের ইরান-সমর্থিত অন্যান্য গোষ্ঠীগুলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এখন পর্যন্ত হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের হামলা-পাল্টা হামলা সীমান্তের কয়েকটি শহরে সীমাবদ্ধ রয়েছে।
এদিকে, ইসরায়েল হুমকি দিয়ে বলেছে, হিজবুল্লাহ যুদ্ধের নতুন ফ্রন্ট চালু করলে পুরো লেবানন তার পরিণতি ভোগ করবে।