ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে পুলিশ ও বন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, গান্ধীনগরের সালকি গ্রামে এক মন্দিরের কাছে বানরের আক্রমণের ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত করে বলে, তার নাম দীপক ঠাকুর। শিশুটিকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসা শুরুর আগেই তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ বলছে, দীপক বন্ধুর সঙ্গে মন্দিরের বাইরে খেলছিল। তখন একদল বানর এসে তাদের ওপর আক্রমণ করে। বানরগুলো শিশুটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পেট চিড়ে ভুঁড়ি টেনে বের করে ফেলে।
.png)
এক পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বানরের দল শিশুটির পেট চিড়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলে। তাকে তাৎক্ষণিক প্রথমে বাড়িতে পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এক সপ্তাহের মধ্যে গ্রামটিকে বানরের পালের এটি তৃতীয় হামলা বলেও জানান ওই কর্মকর্তা।
বন বিভাগের কর্মকর্তা বিশাল চৌধুরী বলেন, বনকর্মীরা ওই গ্রামের বানরগুলোকে ধরার চেষ্টা করছে। বিশাল চৌধুরী বলেন, গত এক সপ্তাহে আমরা দুটি লেঙ্গুর ধরেছি এবং আরেকটি ধরার জন্য ফাঁদ তৈরি করেছি। গ্রামে বানরের একটি বিশাল পাল আছে। এর মধ্যে চারটি প্রাপ্তবয়স্ক। দলটি এক সপ্তাহ ধরে গ্রামে মাঝেমধ্যে আক্রমণ করছে।
এর আগে ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড়ে একটি বানরকে ধরিয়ে দেওয়ার বদলে ২১ হাজার রুপি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। বানরটি দুই সপ্তাহে ২০ জনকে আক্রমণ করেছিল। উদ্ধারকর্মীরা ড্রোন ব্যবহার করে বানরটি খুঁজে বের করে এবং খাঁচায় বন্দী করে।
২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভারতের মহারাষ্ট্রে কুকুর ছানা হত্যা করার জন্য দুটি বানর ধরে বন বিভাগ। বানরগুলো প্রতিশোধ নিতে কুকুর ছানা হত্যা করত বলে জানান গ্রামবাসীরা।