বৃহস্পতিবারও (২৩ নভেম্বর) গাজার বিভিন্ন স্থালে হামলা চালিয়েছে দখলকার ইসরায়েল বাহিনী। এসব ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য বেসামরিক নাগরিক।
গাজায় চলমান অভিযানে সাময়িক বিরতি দিয়ে বন্দী বিনিময়ে একমত হয়েছিলো হামস ও ইসরায়েল। হামাস জানিয়েছিল, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় শুরু হবে বন্দী বিনিময়। তবে এদিন মধ্যরাতে ইসরায়েল জানিয়ে দেয় শুক্রবারের (২৪ নভেম্বর) আগে কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনিদের মুক্তি দেয়া হবে না। শেষ মুহূর্তে এসে ইসরায়েলের এই ঘোষণায় প্রশ্ন ওঠে কেন বৃহস্পতিবার কার্যকর হলো না ওই চুক্তি?
.png)
বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে হামাস। এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপি’কে জানিয়েছেন, কোন জিম্মিদের মুক্তি দেয়া হবে এবং কীভাবে মুক্তি দেওয়া তা চুড়ান্ত না হওয়ায় ‘শেষ মুহূর্তের’ এসে গাজায় যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে।
ওই কর্মকর্তা জানান, যুদ্ধবিরতি ব্যাপকভাবে আজ (বৃহস্পতিবার) কার্যকর হবে বলে আশা করা হয়েছিল, কিন্তু রাতের মধ্যে তা বিলম্বিত হয়েছে। ‘ইসরায়েলি জিম্মিদের নাম এবং তাদের মুক্তির পদ্ধতির বিষয়’ ঠিক না হওয়ায় তা বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে।
ইসরায়েল গাজায় বন্দী সব শিশুর পাশাপাশি তাদের মায়েদের মুক্তির দাবি করেছে। যদিও হামাস বলেছে, সবার অবস্থান জানাটা খুব বেশি জরুরি নয়। আর জিম্মিদের মধ্যে কিছু নাগরিক অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হাতে আটক রয়েছে।
ওদিকে বন্দী বিনিময়ের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হাইকোর্টে করা দু'টি পিটিশন খাজির করে দিয়েছে দেশটির আদালত। বিচারপতি অ্যালেক্স স্টেইনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল একমত হয়ে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, ‘নিরাপত্তা এবং কূটনীতির বিষয়ে সরকারের বিস্তৃত বিচক্ষণতা রয়েছে, যা আদালতের আওতার বাইরে’। আদালতে পিটিশন দাখিলকারীদের দাবি ছিলো, সরকার কিছু বন্দীকে মুক্তি দিয়ে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল