সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক করে তুলেছে। এসব হামলার ফলে ধ্বংস হয়েছে বহু অবকাঠামো। সেই সঙ্গে বেড়েছে সিরিয়ার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ।
এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিখ বলেন, সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে শত শত ইসরায়েলি বিমান হামলার বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব উদ্বিগ্ন। দেশটির সব ফ্রন্টে সহিংসতা কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
.png)
এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, সিরিয়ায় হামলার মাধ্যমে তারা সম্ভাব্য হুমকি নির্মূল করার চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছেন।
সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদ সরকারের পতনের পর দুই দিনে প্রায় ৫০০ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি বাহিনী জানায়, তারা সিরিয়াজুড়ে ৪৮০টি হামলা চালিয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ১৫টি নৌযান, বিমান-বিধ্বংসী ব্যাটারি এবং বেশ কয়েকটি অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ছিল।
গত রোববার বিদ্রোহীদের অব্যাহত আক্রমণের মুখে দামেস্ক থেকে পালিয়ে রাশিয়ায় আশ্রয় নেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ। আসাদ সরকারের পতনের পরপরই ইসরায়েলি ট্যাংক ঢুকে পড়ে সিরিয়ায় এবং গোলান মালভূমির দখল নিতে শুরু করে। গোলান মালভূমি দখলের পর তারা হারমন পার্বত্য অঞ্চল দখলে নেয়।