রোববার (২২ মার্চ) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাত্র কয়েক সপ্তাহে বিশ্বের শীর্ষ ২০টি তালিকাভুক্ত বিমান সংস্থার বাজারমূল্য থেকে প্রায় ৫৩ বিলিয়ন ডলার বা ৫ হাজার ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি হারিয়ে গেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুদ্ধের কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অনেক আন্তর্জাতিক রুট বন্ধ হয়ে গেছে এবং বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হচ্ছে বিমান সংস্থাগুলো। ফলে কোভিড-১৯ মহামারির পর এবারই সবচেয়ে বড় আর্থিক ধাক্কা মোকাবিলা করছে এই খাত।
.png)
সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে পৌঁছালে বিমান সংস্থাগুলোর নির্বাহীরা জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জেট জ্বালানির দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সাধারণত একটি বিমান সংস্থার মোট ব্যয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশই জ্বালানিতে খরচ হয়, ফলে এই মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি তাদের আর্থিক অবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, জ্বালানির এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিশ্বজুড়ে বিমান ভাড়া আরো বেড়ে যেতে পারে। এতে সাধারণ যাত্রীদের ভ্রমণ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে।
এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাও, যারা জানিয়েছে—যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে বৈশ্বিক বিমান শিল্প আরো গভীর সংকটে পড়তে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই