তবে শান্তি প্রক্রিয়াটি এখনো অনিশ্চিত। একদিকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর সংঘর্ষ, অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধার বিষয়টি নিয়ে তিনি উদ্বেগ জানিয়েছেন। এদিকে কুয়েত তাদের ওপর ড্রোন হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করলেও ইরান তা অস্বীকার করেছে।
ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তাঁর সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন। পাকিস্তান সরকার তাদের স্বাগত জানিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর আগে ইরান কয়েকটি শর্ত দিয়েছে—এর মধ্যে রয়েছে লেবাননে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানের অর্থ ফেরত দেওয়া।
.png)
বৈঠকের আগে গালিবাফ সংঘাতের শুরুতে মার্কিন হামলায় নিহত শিশুদের স্মরণে কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, ওই হামলা সম্ভবত ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হয়েছিল। একই সময়ে ইসরায়েল লেবাননের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার ইঙ্গিত দিলেও হিজবুল্লাহ এখনো এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেও লেবাননে মানবিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে সেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য আগামী সপ্তাহে একটি আন্তর্জাতিক বৈঠকের উদ্যোগ নিচ্ছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এই আলোচনাকে ‘শান্তি ফেরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।