গত মে মাসের মাঝামাঝি ইবোলার প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হলেও কর্মকর্তাদের ধারণা, এর আগেই দেশটিতে ভাইরাসটির সংক্রমণ শুরু হয়েছিল। বর্তমানে এটি কঙ্গোর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ইবোলা প্রাদুর্ভাব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং আগের ২০১৮-২০২০ সালের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের মধ্যে অন্তত ১ হাজার ৩৬৬ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, আর ৬১৯ জন বর্তমানে হাসপাতাল বা আইসোলেশনে রয়েছেন। ছয়টি প্রদেশের প্রায় ৬০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ইতুরি প্রদেশ।
.png)
বর্তমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বান্দিবুগিও ধরনের ইবোলা ভাইরাস। এই ধরনের ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো নির্দিষ্ট টিকা বা চিকিৎসা নেই। তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যকর্মী ও সম্মুখসারির কর্মীদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং নতুন টিকা তৈরিতে গবেষণা চলছে।
ইবোলা মোকাবিলায় নিরাপত্তাহীনতা, বাস্তুচ্যুতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের ধর্মঘট এবং মানুষের ব্যাপক চলাচল বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সংঘাতপ্রবণ ইতুরি অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) সতর্ক করেছে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে এই প্রাদুর্ভাব ২০১৪-২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ভয়াবহ ইবোলা মহামারির চেয়েও বড় হয়ে উঠতে পারে। ওই মহামারিতে গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে ১১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।