মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আসামি মাহমুদা খানম স্বপ্না আদালতে উপস্থিত হন।
রায়ে মাহমুদা খানম স্বপ্নাকে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২৭ (১) ধারায় তিন বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ২১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৫ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অসাধু উপায়ে অর্জিত ২১ লাখ ৫৪ হাজার ২৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন আদালত।
.png)
রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, মাহমুদা খানম স্বপ্না একজন গৃহিণী। তার স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান পুলিশ পরিদর্শক ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৪ মে মাহমুদা খানম দুদকে হিসাব বিবরণী দাখিল করেন। সেখানে তিনি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ১৮৩ টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেন এবং এক কোটি ৭১ লাখ তিন হাজার ৪৫ টাকার সম্পদের মধ্যে ৪১ লাখ ৪১ হাজার ২৬৯ টাকার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জন করে তা দখলে রাখেন।
দুদকের উপপরিচালক আবুবকর সিদ্দিক ২০১৬ সালের ২৯ জুন রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন। ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক নাজিম উদ্দিন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।