ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

প্রশ্নপত্র ফাঁস: সাবেক অধ্যক্ষসহ ৫ জন কারাগারে 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:০৩, ২৫ আগস্ট ২০২২
প্রশ্নপত্র ফাঁস: সাবেক অধ্যক্ষসহ ৫ জন কারাগারে 
নার্সিং কলেজের সাবেক অধ্যক্ষসহ আটক ৬ জন। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত নার্সিং কলেজগুলোর বিএসসি ইন নার্সিং (পোস্ট বেসিক) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় নার্সিং কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোছা. কোহিনুর বেগমসহ ৫ জনের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. রশিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বিষয়টি জানিয়েছেন। 

কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- ফরিদা খাতুন, মোছা. মনোয়ারা খাতুন, মোসা. নার্গিস পারভীন, মো. ইসমাইল হোসেন এবং মো. আরিফুল ইসলাম।

Advertisement

এদিন রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বিন কাশেম। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, ২১ আগস্ট রাতে র‌্যাব-১০ অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মহাখালী, ধানমন্ডি ও আজিমপুর থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের হোতাসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে। এ সময় ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্রের কপি এবং ৯টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

২৩ আগস্ট ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ধানমন্ডি থানার মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের প্রত্যকের তিনদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ বিন কাশেম। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের মধ্যে আরিফুল ইসলামের দুইদিন এবং অপর পাঁচ আসামির একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ডে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- ফরিদা খাতুন, মোছা. মনোয়ারা খাতুন, মোসা. নার্গিস পারভীন, মোছা. কোহিনুর বেগম ও মো. ইসমাইল হোসেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৯৮টি নার্সিং কলেজের মধ্যে বর্তমানে ৩৮টি কলেজে পরীক্ষা চলছে। প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা বজায় রাখতে প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দুজন প্রশ্ন প্রণয়নকারী নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা দুই সেট আলাদা প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। প্রশ্নপত্রগুলো যাচাই করার জন্য একটি মডারেটর টিম নিয়োগ করা হয়। তাদের কাজ হচ্ছে প্রশ্নপত্রগুলো থেকে পরীক্ষার জন্য এক সেট পরিপূর্ণ প্রশ্নপত্র তৈরি করে সেগুলো সিলগালা করে চিকিৎসা অনুষদের ডিনের কাছে জমা দেওয়া। পরে চিকিৎসা অনুষদের ডিন বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রশ্নপত্র সরবরাহের জন্য চার সদস্যদের একটি গোপনীয় টিম নিয়োগ করে থাকেন।

যারা নির্বাচিত প্রশ্নপত্রটি প্রিন্টিং এবং প্যাকিংয়ে নিযুক্ত থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের চাহিদা অনুযায়ী প্রশ্নপত্রগুলো প্রিন্ট করে আলাদা আলাদা প্যাকিং করে তার ওপরে কেন্দ্রের নাম লিখে সিলগালা করে দেন। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই প্রশ্নপত্রগুলো বিভিন্ন কেন্দ্রে বিতরণ করে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!