এর আগে করোনাকালীন যাত্রার পাঁচ দিন আগে থেকে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ক্রয়ের সুযোগ ছিল।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক ট্রান্সপোর্টেশন) খায়রুল কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
.png)
এতে আরো জানানো হয়েছে, ঢাকা বিমানবন্দর-জয়দেবপুর-নরসিংদী স্টেশনে সব আন্তঃনগর, কমিউটার, মেইল ট্রেন এবং ভৈরব বাজার স্টেশনে শুধুমাত্র কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এছাড়া আন্তঃনগর ট্রেনে সব প্রকার স্ট্যান্ডিং টিকিট ইস্যু বন্ধ থাকবে। আন্তঃনগর ট্রেনের সব (কোচের ধারণ ক্ষমতার শতকরা ৫০ শতাংশ) টিকিট একসঙ্গে অনলাইন এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। অনলাইন ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রিত টিকিট রিফান্ড করা যাবে না বা ফেরত নেয়া হবে না।
অন্যদিকে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তঃনগর, কমিউটার ও লোকালসহ আরো ১৯ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ২৪ মার্চ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এরপর গত ৩১ মে প্রথম দফায় আট জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হয়। পরবর্তীতে ৩ জুন দ্বিতীয় দফায় আরও ১১ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন বাড়ানো হয়।
তবে কিছুদিন পর যাত্রী সংকটে দুই জোড়া ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। গত ১৬ আগস্ট নতুন করে আরো ১২ জোড়া আন্তঃনগর ও এক জোড়া কমিউটার ট্রেনসহ মোট ১৩ জোড়া ট্রেন নতুন করে চলাচল শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৭ আগস্ট থেকে আরো ১৮ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এরপরই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে আন্তঃনগর, কমিউটার ও লোকালসহ আরো ১৯ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হবে।