রোববার রাজধানীর শাহবাগে এক মানববন্ধন ও সমাবেশে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান তারা।
বক্তারা জানান, মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনী এখনো সেখানে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। এতে বাধাগ্রস্ত হতে পারে প্রত্যাবাসন।
.png)
মিয়ানমারের রাখাইনে এখনো দেশটির সেনাবাহিনী হত্যা, ধর্ষণ, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করে আসছে। অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি নতুন করে এখন বৌদ্ধ রাখাইনরাও নির্যাতনের শিকার।
২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর মিয়ানমার সেনাবাহিনীর জাতিগত নিধনের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। এরপর একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েও টালবাহানা করে প্রত্যাবাসন আটকে রেখেছে দেশটি। কৌশল হিসেবে তারা এখন রাখাইনে উত্তেজনা জিইয়ে রাখতে চাইছে। এ নিয়ে জাতিসংঘসহ বিশ্ব সম্প্রদায়ের উদ্বেগের মধ্যেই রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে বাংলাদেশ রাখাইন কমিউনিটি। বক্তারা অবিলম্বে রাখাইনের বাসিন্দাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানান।
মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর ওপর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করে সমস্যা সমাধানের দাবি জানান বাংলাদেশ রাখাইন কমিউনিটির মুখপাত্র।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ত্বরান্বিত করাসহ দ্রুতই রাখাইনের পরিবেশের উন্নতি না হলে ঢাকার মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাওয়ের মতো কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।