গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা জানান, কোনো নোটিশ ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএ’র সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশের মাধ্যমে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করেছেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
গ্রামীণ টেলিকম ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে এ ছাঁটাই করা হয়েছে।
.png)
উল্লেখ্য, বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালে প্রথম মামলা করেন গ্রামীণ টেলিকমের সাবেক ১৪ কর্মী। পরে বকেয়া পাওনা চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ৯৩টি মামলা করেন তার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গ্রামীণ টেলিকমের বর্তমান কর্মীরা। ঢাকার শ্রম আদালতে সব মিলে ১০৭টি মামলা করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির সাবেক ১৪ কর্মী আরও ১৪টি মামলা করেন পাওনা টাকার জন্য।
ছাঁটাই সম্পর্কে গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান বলেন, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গত ২৫ তারিখ এক চিঠিতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সব কর্মীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাতজন কার্যকরী সদস্য রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মী ও ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য ছাঁটাই সম্পূর্ণ বেআইনি। করোনাকালীন একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান এভাবে বন্ধ করতে পারেন না, আমরা আইনিভাবে ও আন্দোলনের মাধ্যমে তা মোকাবিলা করবো।
এ বিষয়ে গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান বলেন, আমরা শ্রম আইনের বিধান মেনেই ৯৯ জন কর্মীকে টার্মিনেট করেছি। তারা তাদের যাবতীয় পাওনা বুঝে পাবেন।