বুধবার গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি তিতাসের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রোজার প্রথম দুদিন তিতাসের কাছে অনেক অভিযোগ আসলেও মঙ্গলবার তার সংখ্যা খুবই কম ছিল। বুধবার দুপুর পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি।
.png)
এর আগে মঙ্গলবার ইফতারির পর রাজধানীর ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, শাহজাদপুর, বাড্ডা, খিলগাঁওসহ কয়েকটি এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানে গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের যে ছয়টি কূপ বন্ধ হয়েছিল, তার মধ্যে চারটি চালু হয়েছে। ফলে রোজার শুরুতে দেখা দেওয়া গ্যাস সংকট কমে এসেছে।
আরো পড়ুন>>> সাংবাদিকদের সঙ্গে ইসির সংলাপ শুরু
এ বিষয়ে পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আবু সাকলায়েন বলেন, যে ছয়টা কূপ বন্ধ হয়েছিল, তার মধ্যে চারটি চালু হয়েছে। বাকি দুটি কূপের কাজ চলছে। এখন মোট এক হাজার ৯৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে।
বিবিয়ানার ঐ ছয়টা কূপের বিষয়ে তিনি বলেন, সেখানে কী ঘটেছিল আমরা বিস্তারিত জানানোর জন্য প্রতিবেদন প্রস্তুত করছি।
পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দেশে উৎপাদিত গ্যাসের ৪০ শতাংশের বেশি আসে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে। প্রতিদিন এ গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন ক্ষমতা এক হাজার ২৭৫ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ছয়টি কূপ থেকে আসে ৪২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। সমস্যা সৃষ্টি হওয়ার তিনদিনের মাথায় চারটি কূপ চালু হওয়ার পরও আরও ১৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সংকট থেকে যাচ্ছে। তিতাস বলছে, বৃহস্পতিবারের মধ্যে গ্যাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।