ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং: ১৫ জেলায় বিপদের আশঙ্কা
ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বিশেষ বুলেটিন প্রকাশ করা শুরু করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। সবশেষ বুলেটিনে বলা হচ্ছে, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদসংকেত জারি করা হয়েছে।
এছাড়া ১৩টি জেলা ও জেলাগুলো সংলগ্ন দ্বীপগুলোকে ৭ নম্বর বিপদসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। জেলাগুলো হচ্ছে-
১. সাতক্ষীরা
.png)
২. খুলনা
৩. বাগেরহাট
৪. ঝালকাঠি
৫. পিরোজপুর
৬. বরগুনা
৭. পটুয়াখালী
৮. ভোলা
৯. বরিশাল
১০. লক্ষ্মীপুর
১১. চাঁদপুর
১২. নোয়াখালী
১৩. ফেনী
জেলাগুলোর নদীবন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্কসংকেত দেখানো হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে দেখাতে বলা হয়েছে ৬ নম্বর বিপদসংকেত। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা এবং সংলগ্ন দ্বীপগুলোকেও দেখানো হচ্ছে ৬ নম্বর বিপদসংকেত।
এই পনেরটি জেলাতেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলোচ্ছাস হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ জলোচ্ছাসের উচ্চতা স্বাভাবিকের তুলনায় ৫ থেকে ৮ ফুট উঁচু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে আবহাওয়ার সবশেষ বুলেটিনে।
এরই মধ্যে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বরিশালের বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে অভ্যন্তরীণ নৌরুটের সব ধরণের যানবাহন চলাচল। মাছ ধরা ট্রলারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।
এরই মধ্যে পনেরটি জেলায় জরুরিভাবে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব এলাকায় মাইকিং করে মানুষজন ও গবাদীপশুকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে।