ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ জাতীয় ]

পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলাচল নিয়ে সুখবর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১:২৭, ২ মার্চ ২০২৩
পদ্মাসেতুতে ট্রেন চলাচল নিয়ে সুখবর
ফাইল ফটো

পদ্মাসেতুতে রেলপথ নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। বাকি রয়েছে মাত্র ৭৫০ মিটার। চলতি মার্চ মাসেই পদ্মাসেতুতে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে এ প্রকল্পের ভাঙ্গা থেকে মাওয়া পর্যন্ত ৪২ কিলোমিটার অংশে ট্রেন চলবে।

পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এরই মধ্যে পদ্মাসেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার পাথরবিহীন রেলপথ নির্মাণ কাজ শেষ। বাকি ৭৫০ মিটার রেলপথের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। সেতুতে মোট আটটি ব্রিজ জয়েন্ট মুভমেন্ট থাকছে। এর মধ্যে সাতটির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। বাকি একটির কাজ আগামী ১৫ মার্চের মধ্যেই শেষ হতে পারে। জয়েন্ট মুভমেন্টের কাজ শেষ করে চলতি মাসেই রেল চলাচলের জন্য প্রস্তুত করা হবে।

পদ্মা মূল সেতু ও ভায়াডাক্টের সিনিয়র প্রকৌশলী জহুরুল হক বলেন, আমরা দিনরাত কাজ করছি। পদ্মাসেতুর ৭৫০ মিটার অংশ ছাড়া ভাঙ্গা-মাওয়া ৪২ কিলোমিটার অংশের রেলপথের কাজ শেষ। চলতি মাসে মূল সেতুর উপর দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চলাচল করবে।

Advertisement

পুরো পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্পে কাজের অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ বলে জানান এই প্রকৌশলী।

এদিকে দেশে প্রথমবারের মতো পদ্মাসেতুতে পাথরবিহীন রেলপথ তৈরি করা হয়েছে। এতে খরচ বেশি হলেও মেরামত ব্যয় তেমন নেই বলে জানিয়েছেন পদ্মা মূল সেতু ও ভায়াডাক্টের সহকারী প্রকৌশলী লোকমান হোসাইন।

তিনি বলেন, পাথরবিহীন এ রেলপথ তৈরিতে খরচ বেশি হলেও এটি টেকসই হবে। এই রেলপথে কোনো ঝাঁকুনি হবে না। পরবর্তী সময়ে মেরামত ব্যয় নেই বললেই চলে।

উল্লেখ্য, পদ্মাসেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ঢাকা থেকে যশোর পর্যন্ত ১৭২ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

এর আগে, ২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মাসেতুর উদ্বোধন করা হয়। পরদিন ২৬ জুন থেকে সেতুতে যান চলাচল শুরু হয়। সেতুটি চালু হওয়ায় রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন ও দ্রুত যোগাযোগ স্থাপন হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!