শনিবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে নেগলেক্ট ট্রপিক্যাল ডিজিস (এনটিডি) দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্য সচিব বলেন, আমাদের স্বাস্থ্যসেবায় বর্তমান যে সুযোগ আছে, সেটা দিয়েই রোগ প্রতিরোধে আমরা আরো বেশি কাজ করতে পারি। ছোটখাটো যেকোনো সমস্যায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া খুবই জরুরি। অনেক সময় ছোটখাটো রোগ থেকেই বড় সমস্যা দেখা দেয়। এজন্য সচেতনতা খুবই জরুরি।
.png)
তিনি আরো বলেন, অসংখ্য মানুষ এখন আর্থিক চাপে হাসপাতালে যায় না। প্রেশার নিয়ে ঘুমিয়ে আছে, ডায়াবেটিস নিয়ে চলাফেরা করছে। যখন সিভিয়ার পর্যায়ে পৌঁছায় তখন হাসপাতালে ছুটে যায়, কিন্তু তখন আর তাকে বাঁচানো সম্ভব হয় না।
এনটিডি রোগ প্রসঙ্গে ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, নেগলেক্ট ট্রপিক্যাল ডিজিস (এনটিডি) নিয়ে ১৪৯টি দেশ সমস্যায় আছে। আমাদের রোগের প্রবণতা বেশি। ফাইলেরিয়া, কালাজ্বর- এগুলোর প্রকোপ হরহামেশাই দেখা যায়। আমরা যদি এখানে বিনিয়োগ করি এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারি তাহলে অসংখ্য রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এ বি এম খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রাশেদা সুলতানা, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, মহাসচিব ডা. কামরুল হাসান মিলন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের লাইন ডাইরেক্টর (সিডিসি) ও রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম প্রমুখ।