এদিকে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাব কেটে গেলেও শুক্রবার দেশের আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। প্রয়োজনে যারা বেরিয়েছেন ঘর থেকে, ঠান্ডার কারণে তারা গায়ে দিয়েছেন গরম কাপড়।
তবে শীতের মাস ডিসেম্বরে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি অস্বাভাবিক উল্লেখ করে নগরবাসী এর জন্য দায়ী করছেন জলবায়ু পরিবর্তনকে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, গত বছরের নভেম্বর মাসের চেয়ে এ বছরের নভেম্বর মাস অনেকটা উষ্ণ ছিল। যার কারণে শীত অনুভব হয়নি। ডিসেম্বর মাসেও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা উষ্ণ থাকায় আগে যেমন শীত অনুভূত হয়েছে এবার সেটা হচ্ছে না।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, ডিসেম্বরের শুরুতেই শীত নামার কথা থাকলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তা দেরি হয়েছে। মেঘ কেটে গেলে দু'একদিনের মধ্যেই তাপমাত্রা কমে যাবে ১ থেকে ৩ ডিগ্রি। এছাড়া ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ারও পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়া দফতর।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি দেশের তাপমাত্রা সর্বনিম্ন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নীচে নামতে পারে। বয়ে যেতে পারে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।
.png)