এ সময় তিনি আরো জানান, ইউরোপের ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও জার্মানি যৌথভাবে তৈরি এয়ারবাস থেকেও নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে, যাতে বিমান খাত আরও আধুনিক ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে সরকার দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বর্তমান সংকট পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া জঞ্জাল, তবে এর টেকসই সমাধানে সময় প্রয়োজন। পাশাপাশি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেন তিনি।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সময়ের গ্যাস ও বিদ্যুৎ আমাদের একটা ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে। তবে এই ঝামেলা কিন্তু আমরা বহন করছি, আমরা এটি তৈরি করিনি।
এসময় তিনি বিরোধী দল ও সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, অনেকেই আন্দোলন করতে চান। আমাদের বিরোধী দলের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিরা প্রায়ই আন্দোলন করেন গ্যাস-বিদ্যুৎ দিতে পারে না বলে সরকার সরে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আপনারা সরে যেতে বললে কালকেই কি আপনারা বিদ্যুৎ দিতে পারবেন? ছয় মাসের মধ্যে কি বিদ্যুৎ বা গ্যাস দিতে পারবেন? পারবেন না। এটি গড়ে তুলতে সময়ের প্রয়োজন। একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও তা উঠতে অন্তত দুই বছর লাগে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত গতিতে কাজ করলেও দেড় থেকে দুই বছর সময় লাগবেই। আমরা সেই লক্ষ্যেই দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি।
এ সময় মন্ত্রী জনভোগান্তি ও বিশৃঙ্খলা রোধে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কথায় কথায় জঞ্জাল তৈরি না করে যারা সামাজিক ও প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের প্রতি কঠোর হতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বিদ্যমান আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের একটাই লক্ষ্য জনগণ যেন সুখে থাকে এবং একটি ভালো বাংলাদেশ পায়।
নিজের দায়িত্ব ও দেশের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা দেশটাকে আরও উন্নত করতে চাই। যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাই এখানে আসল কথা। আপনারা সকলে নিজ নিজ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন এই প্রত্যাশা করি।
ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সমন্বয় সভায় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় সংসদ সদস্য, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি ও সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
.png)