আজ ১৬ আগস্ট, ‘জাতীয় কৌতুক বলার দিন’! আজকের দিনটি মন খুলে হাসার এবং চারপাশের মানুষকে হাসিখুশিতে রাখার উপযুক্ত সময়। কৌতুক কেবল বিনোদনের মাধ্যমই নয়, এটি মানুষের মানসিক চাপ কমাতে এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে দারুণভাবে সাহায্য করে।
কৌতুক মানব সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে অন্তত খ্রিস্টপূর্ব ১৯০০ অব্দ থেকেই। কৌতুক হতে পারে নানা রকমের—যেমন এক লাইনের জোকস, নক-নক কৌতুক, শব্দের খেলা বা ‘পান’ কিংবা বিদ্রূপাত্মক রসবোধ । অনেকেই আবার কেবল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে হাস্যরস ফুটিয়ে তোলেন।
কৌতুক সফল হওয়ার পেছনে সঠিক সময়জ্ঞান (টাইমিং) এবং পরিবেশনভঙ্গি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে পাঞ্চলাইন না ফেলতে পারলে কৌতুক তার আকর্ষণ হারায়।
শ্রোতা বা উপস্থিত পরিবেশ বুঝে কৌতুক নির্বাচন করা উচিত। যেমন—ভীতি বা ফোবিয়া সংক্রান্ত কোনো সম্মেলনে জোকার বিষয়ক কৌতুক বেমানান হতে পারে।
পরিমিত হাসি স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। এটি পেটের পেশির দারুণ ব্যায়াম ঘটায় এবং মস্তিষ্কে ‘এন্ডোরফিন’ বা প্রাকৃতিক ভালো লাগার হরমোন নিঃসরণ করে। তাই সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে আজ প্রাণ খুলে হাসুন এবং অন্যকেও হাসান!
.png)