উনিশ শতকে ঢাকার প্রভাবশালী নবাব পরিবার এই প্রাসাদ নির্মাণ করে। এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৬৯ সালে। নবাব আবদুল গনি তার পুত্র খাজা আহসানউল্লাহর নামে প্রাসাদটির নাম দেন আহসান মঞ্জিল।
গোলাপি রঙের দৃষ্টিনন্দন এই ভবনটি একসময় ঢাকার নবাবদের আবাসস্থল ও রাজনৈতিক-সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। এর বিখ্যাত গম্বুজ, বিশাল বারান্দা, নকশা করা কক্ষ ও বুড়িগঙ্গার তীরের অবস্থান প্রাসাদটিকে দিয়েছে অনন্য সৌন্দর্য।
.png)
ঢাকার ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার নীরব সাক্ষী এই প্রাসাদ। ব্রিটিশ আমলে নবাব পরিবারের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের কেন্দ্র হিসেবেও আহসান মঞ্জিলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকার আহসান মঞ্জিল অধিগ্রহণ করে। পরে দীর্ঘ সংস্কারকাজের মাধ্যমে এর ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা হয়। ১৯৯২ সালে এটি জাদুঘর হিসেবে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
আজ আহসান মঞ্জিল বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা। এর প্রতিটি দেয়াল, সিঁড়ি ও কক্ষ যেন বলে যায় ঢাকার নবাবি আমল, ঔপনিবেশিক ইতিহাস আর হারিয়ে যাওয়া এক সময়ের গল্প।