ঢাকা,  মঙ্গলবার   ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩

[ স্পটলাইট ]
রাজপথে ক্ষোভের আগুন

প্রতিদিনই আন্দোলন-বিক্ষোভে স্থবির রাজধানী

বায়েজীদ মুন্সী
প্রকাশিত: ১৮:০০, ১৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিদিনই আন্দোলন-বিক্ষোভে স্থবির রাজধানী
ছবি সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকা যেন ক্রমেই এক উত্তপ্ত ও বিক্ষুব্ধ নগরীতে পরিণত হচ্ছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো সামাজিক, অর্থনৈতিক কিংবা রাজনৈতিক দাবি নিয়ে রাজপথে নামছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। সরকারি চাকরিজীবী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, অটোরিকশাচালক, সিএনজিচালক, পোশাকশ্রমিক কিংবা বঞ্চনার শিকার সাধারণ নাগরিক—সবারই যেন একই গন্তব্য, রাজপথ।

সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতে শাহবাগ, প্রেসক্লাব, ধানমন্ডি, মতিঝিল কিংবা কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হঠাৎ গড়ে ওঠা এসব আন্দোলনের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে গোটা শহর। থমকে যাচ্ছে ট্রাফিক ব্যবস্থা, আর এর চরম খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ পথচারী ও কর্মজীবী মানুষদের।

চিত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, সকাল গড়িয়ে দুপুর হতেই ঢাকার প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে আন্দোলনকারীদের ভিড় জমতে শুরু করে। কোনো দিন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি, কোনো দিন সরকারি কর্মচারীদের বেতনবৈষম্য দূর করার দাবি, কোনো দিন শিক্ষার্থীদের কোটা বা শিক্ষানীতি সংস্কারের আন্দোলন, আবার কোনো দিন বকেয়া বেতন আদায়ে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ। কখনো কখনো অটোরিকশা ও সিএনজিচালকদের নতুন নিয়ম বাতিলের দাবি কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি এক মুহূর্তেই ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাকে অচল করে দিচ্ছে।

সম্প্রতি তিন দিনের মধ্যে ঢাকা শহরে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী। এর প্রতিবাদে গত ১১ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে মোহাম্মদপুর, বসিলা ও গাবতলীমুখী সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন চালকেরা, যা আশপাশের বিস্তৃত এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি করে।

এর আগের দিন, ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে তা আকস্মিকভাবে স্থগিত করা হয়। ফলে দূরদূরান্ত থেকে অনেক কষ্ট ও আর্থিক ক্ষতি সহ্য করে আসা প্রার্থীরা চরম ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এর দায় কর্তৃপক্ষের ওপর চাপিয়ে প্রার্থীরা মতিঝিল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, কলোনি উচ্চবিদ্যালয়, খিলগাঁও মডেল কলেজ ও বাংলা কলেজসহ রাজধানীর প্রায় ১০০টি পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন। এতে কার্যত পুরো ঢাকা শহরের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়া গত ৫ অক্টোবর কয়েক হাজার রিকশাচালক পুলিশি হয়রানি, গাড়ি ডাম্পিং, জরিমানা ও চার্জিং পয়েন্টের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করেন। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে এ অবরোধ কার্যক্রম। এতে প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এর আগে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী ঢাকায় দুটি সমাবেশ করে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টিও প্রতিবাদ জানায়। এছাড়া চাঁদাবাজি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করে। এভাবে প্রতিদিনই রাজধানীর কোথাও না কোথাও কোনো না কোনো কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।

২০২৪ সালের জুলাই-পরবর্তী এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ১৭৮ দিনে রাজধানীতে ১৩৭টি আন্দোলনের ঘটনা ঘটে। এসব কর্মসূচিতে আন্দোলনকারীরা নিজেদের বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার দাবি করে সড়ক অবরোধ করেন। একই সঙ্গে ঘেরাও করা হয় সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এতে প্রায়ই স্থবির হয়ে পড়ে রাজধানীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও যান চলাচল। এমন দিনও গেছে, যেদিন একসঙ্গে ১৭টি স্থানে অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। সচিবালয় ঘেরাও করে আন্দোলনে নামেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের একাংশও। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফল প্রকাশের দাবি জানান তারা। অন্যদিকে, পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতেও আন্দোলন করেন শিক্ষার্থীদের আরেকটি অংশ। শেষ পর্যন্ত সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের ভিত্তিতেই ফল প্রকাশ করা হয়। তবে ফল প্রকাশের পর অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের একাংশও আন্দোলনে নামেন এবং শিক্ষাবোর্ড ঘেরাও করেন।

ওই মাসের ১৯ তারিখে রাজধানীর ১৭টি পয়েন্টে বিভিন্ন দাবিতে অবরোধ ও আন্দোলন চলে। এসব কর্মসূচির মধ্যে ছিল চাকরি স্থায়ীকরণ, বদলি, নিয়োগসহ নানা দাবি। এ ছাড়া প্যাডেলচালিত রিকশাচালকদের আন্দোলন চলে টানা নয় দিন। এ সময় দিনের বিভিন্ন পর্যায়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড় অবরোধ করেন তারা। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার শুরুর দিকেই আন্দোলনে নামেন আনসার সদস্যরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সচিবালয় অবরোধ করে রাখেন তারা। শুধু রাজপথেই নয়, নিজেদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরেও অবস্থান ও অনশন কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। 

২০২৫ সালের শুরুতেও আন্দোলনের ধারাবাহিকতা থামেনি। বছরের প্রথম ২৮ দিনেই রাজধানীতে ৪০টি আন্দোলনের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ছিল ৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়া প্রার্থীদের আন্দোলন, ৪০তম ব্যাচের অব্যাহতিপ্রাপ্ত উপপরিদর্শকদের (এসআই) কর্মসূচি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। এছাড়া পাঠ্যপুস্তকে ‘আদিবাসী’ শব্দের ব্যবহারকে কেন্দ্র করে টানা চার দিন আন্দোলন ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একই সময়ে বিডিআর সদস্যদের পরিবারের সদস্য এবং ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকেরাও বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলনে নামেন। অন্যদিকে, দাবি আদায়ের কর্মসূচিতে রেলওয়ের রানিং স্টাফদের আন্দোলনের কারণে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সব মিলিয়ে রাজধানীতে ধারাবাহিক এসব আন্দোলন ও অবরোধের কারণে জনজীবন, যান চলাচল এবং সার্বিক কার্যক্রম বারবার ব্যাহত হয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি-দাওয়া সামনে এলেও, ঘন ঘন সড়ক অবরোধের ফলে সাধারণ মানুষকে পোহাতে হয়েছে চরম ভোগান্তি।

মোহাম্মদপুর চার রাস্তার মোড়ে আন্দোলনরত অটোরিকশাচালক আব্দুল জলিল বলছিলেন, অটোরিকশা আমাদের পরিবারের ভরণপোষণের প্রধান অবলম্বন। তাদের অনেকেই ঋণ নিয়ে গাড়ি কিনেছেন কিংবা দৈনিক ভাড়ায় গাড়ি চালিয়ে সংসার চালান। হঠাৎ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে আয় বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি ঋণের কিস্তি, গাড়ির ভাড়া এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ মেটানো কঠিন হয়ে পড়বে। তাই বাধ্য হয়েই রাজপথে আন্দোলনে নেমেছি। সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে জানি, কিন্তু আমাদের কষ্টও তো কেউ দেখছে না।

একইভাবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা দিতে আসা মাসুদ রানা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী থেকে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ঢাকায় এসেছি। যাতায়াত, থাকা-খাওয়া মিলিয়ে আমার প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেল। পরীক্ষার হলে যথাসময়ে গিয়ে বসেও ছিলাম কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানানো হলো প্রশ্ন ফাঁসের কারণে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতির দায়ভার কোনোভাবেই আমাদের ওপর বর্তায় না। একদিকে বেকারত্বের দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে কষ্টার্জিত অর্থ ও মূল্যবান সময়ের অপচয়—এসব মেনে নেওয়া সত্যিই কঠিন। এই ক্ষোভ ও বাধ্যবাধকতা থেকেই আমরা সড়ক অবরোধে নেমেছি। সরকারের উচিত ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের এই অহেতুক ক্ষতির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।

প্রতিনিয়ত এ ধরনের অবরোধে কেবল ট্রাফিক ব্যবস্থাই বিপর্যস্ত হচ্ছে না, দেশের অর্থনীতি ও কর্মঘণ্টায় ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও দানা বাঁধছে তীব্র অসন্তোষ। মিরপুর থেকে মতিঝিলগামী বাসযাত্রী মো. লিটন মিয়া বিরক্তি প্রকাশ করে বলেন, সকাল ৯টায় মিটিং ছিল, কিন্তু শাহবাগে এক ঘণ্টা ধরে বাস আটকে আছে। মানুষের যেকোনো দাবির প্রতি সহানুভূতি থাকতে পারে কিন্তু পুরো শহর জিম্মি করে আন্দোলন করা কতটা যৌক্তিক? প্রতিদিন এভাবে চললে মানুষ কাজ করবে কীভাবে? আশুলিয়া থেকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগী নিয়ে যাওয়া মনিরুজ্জামান জানান, যানজটের কারণে ১০ মিনিটের পথ যেতে এক ঘণ্টার বেশি লেগেছে। জরুরি অ্যাম্বুলেন্সের জন্য আলাদা কোনো লেন নেই, তার ওপর আন্দোলনের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়।

প্রতিদিনের এই পরিস্থিতি সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও ট্রাফিক বিভাগ। হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে শত শত মানুষ অবস্থান নিলে তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প পথে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে একটি সড়কে অবরোধ তৈরি হলেই তার প্রভাব পুরো শহরের ট্রাফিক নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে শাহবাগ, প্রেসক্লাব, বিজয়নগর বা কারওয়ান বাজারের মতো ব্যস্ত এলাকায় গতি থমকে গেলে তার জটলা বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে সায়েন্স ল্যাব, সায়েদাবাদ বা যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

এ বিষয়ে ডিএমপির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আন্দোলনকারীদের শান্ত রেখে সড়ক চালু রাখা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং ট্রাফিক স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। কিন্তু ঢাকার সড়কগুলোর ধারণক্ষমতা এমনিতেই কম, তার ওপর প্রতিদিন সড়ক বন্ধ হলে শহর অচল হয়ে পড়াই স্বাভাবিক।

পরিস্থিতি নিয়ে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য—কর্তৃপক্ষ দাবির প্রতি গুরুত্ব না দেওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথ বেছে নিচ্ছেন। তবে নগর পরিকল্পনাবিদেরা মনে করছেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে আন্দোলনের সংস্কৃতিতে একটি টেকসই ও ইতিবাচক পরিবর্তন আনা জরুরি।

নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীভূত হওয়ার কারণে সারা দেশের বঞ্চিত মানুষ তাদের দাবি আদায়ে রাজধানীতে ছুটে আসেন। তাদের ধারণা, ঢাকায় কর্মসূচি পালন করলে সরকারের নজর দ্রুত আকর্ষণ করা যায়। তবে এ দুর্ভোগ কমাতে বিকল্প পথের ওপর জোর দিয়ে তিনি পরামর্শ দেন, সড়ক দখল করে জনভোগান্তি তৈরির বদলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বা নির্দিষ্ট কোনো উন্মুক্ত মাঠে প্রতিবাদ কর্মসূচির ব্যবস্থা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে জিম্মি না করে নাগরিক দাবি আদায়ে দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানানোর চর্চা গড়ে তোলা প্রয়োজন।

তিনি আরও যোগ করেন, আন্দোলন রাজপথে নামার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সংক্ষুব্ধ পক্ষগুলোর সঙ্গে কার্যকর আলোচনায় বসে সমস্যার সমাধান করা। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদেরও দায়িত্বশীল হতে হবে, যাতে অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের মতো জরুরি পরিষেবা বাধাগ্রস্ত না হয়। সমন্বিত উদ্যোগ, কার্যকর সংলাপ এবং সংবেদনশীল প্রতিবাদের মাধ্যমেই ঢাকার যানজট কমিয়ে একটি বাসযোগ্য শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!