শুরুর দিকের ক্রিকেট যুগ (১৯১৮-র আগ পর্যন্ত) থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার অব্রে ফকনার ও অস্ট্রেলিয়ার মন্টি নোবেল।
বিশ্বযুদ্ধের মাঝের যুগ (১৯১৮-১৯৪৫) থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লিয়ারি কনস্টানটাইন ও স্ট্যান ম্যাককাবে।
.png)
বিশ্বযুদ্ধের পরের যুগ (১৯৪৬-১৯৭০) থেকে ইংল্যান্ডের টেড ডেক্সটার ও ভারতের বিনু মানকন্দ।
ওয়ানডে যুগ (১৯৭১-১৯৯৫) থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেসমন্ড হেইন্স ও ইংল্যান্ডের বব উইলিস।
আধুনিক ক্রিকেট যুগ (১৯৯৬-২০১৬) থেকে জিম্বাবোয়ের অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার ও শ্রীলংকার কুমার সাঙ্গাকারা এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন।
উপমহাদেশ থেকে আইসিসির হল অব ফেমে জায়গা পান ভারতের মানকন্দ ও শ্রীলংকার সাঙ্গাকারা। জিম্বাবুয়ের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে আইসিসির হল অব ফেমে জায়গা পেয়েছেন বাঁ-হাতি উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান ফ্লাওয়ার।
আগামী ১৮ জুন সাউদাম্পটনে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আগে ১০ কিংবদন্তি ক্রিকেটারকে এই বিশেষ সম্মান জানালো আইসিসি।
গতকাল সন্ধ্যায় অনুষ্ঠানিক ভাবে এই তালিকা ঘোষনা করে আইসিসি। ফেসবুক ও ইউটিউবে সরাসরি সম্প্রচার হয় এই অনুষ্ঠান। উপস্থাপনায় ছিলেন অ্যালান উইলকিনস।
পাঁচটি প্রজন্ম থেকে ৬ জন করে ক্রিকেটারকে বেছে নেবে আইসিসির হল অফ ফেম নমিনেশন কমিটি। পরে হল অফ ফেম ভোটিং অ্যাকাডেমির অনলাইন ভোটেই ১০ জন ক্রিকেটারকে বেছে নেয়া হবে। ভোটিং অ্যাকাডেমিতে রয়েছেন আইসিসির হল অফ ফেমার,
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার্স অ্যাসেসিয়েশনের প্রতিনিধি, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও আইসিসির সিনিয়র কর্তারা।
টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় নতুন করে আইসিসির হল অব ফেমে ১০ জন অর্ন্তভুক্ত হলো। এতে আইসিসির হল অফ ফেমারদের সংখ্যাটা এখন ১০৩-এ।