অর্থাৎ, ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী পরিচয় দেওয়া তামিমা যে বিয়ে করেছেন সেটি অবৈধ। আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীমের আদালতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এ প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
এর আগে চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মী। এরপরই নাসিরের বিরুদ্ধে অপরের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগ উঠে। নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্য দিয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারি নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে মামলা করেন রাকিব।
.png)
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাকিবকে তালাক দেননি তামিমা। আইনগতভাবে রাকিব তালাকের কোনো নোটিশও পাননি। উল্টো জালিয়াতি করে তালাকের নোটিশ তৈরি করে তা বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন তামিমা। যথাযথ প্রক্রিয়ায় তালাক না দেওয়ার ফলে তামিমা তাম্মী এখনো রাকিবের স্ত্রী হিসেবে বহাল রয়েছেন।
দেশের ধর্মীয় বিধিবিধান ও আইন অনুযায়ী এক স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করা অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এমতাবস্থায় ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তামিমা তাম্মীর বিয়ে অবৈধ বলে সেই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তামিমা পেশায় একজন কেবিন ক্রু। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্রপত্রিকায় ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন তিনি।