গত সোমাবার নুনোকে বরখাস্তের পর ইতালিয়ান কন্টেকে নিয়োগ দিতে একটুও দেরী করেনি স্পার্সরা। ২০২৩ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত কন্টের সঙ্গে চুক্তি করেছে টটেনহ্যাম। নুনোর অধীনে মাত্র ১৭টি ম্যাচ খেলেছে লন্ডনের ক্লাবটি।
এর আগে বছরের শুরুতে বরখাস্ত হওয়া হোসে মরিনহোর স্থানে কন্টেকে দায়িত্ব গ্রহনের অনুরোধ জানানো হলেও ঐ সময় তা প্রত্যাখান করেছিলেন ইতালিয়ান এই কোচ। ৫২ বছর বয়সী কন্টে টটেনহ্যামের প্রস্তাব গ্রহনের মাধ্যমে তিন বছর পর আবারো প্রিমিয়ার লিগে ফিরছেন। ব্লুজদের হয়ে কন্টে ২০১৬/১৭ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ ও এফএ কাপের শিরোপা জয় করেছিলেন।
.png)
এক বিবৃতিতে স্পার্সদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, ২০২৩ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত এন্টোনিও কন্টে দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন। সিরি-আ লিগে কন্টের শিরোপা জেতার অভিজ্ঞতা রয়েছে, এর মধ্যে জুভেন্টাসের হয়ে জিতেছেন হ্যাটট্রিক শিরোপা। তার অধীনে ইতালি ২০১৬ ইউরোর কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলেছিল’।
বৃস্পতিবার ঘরের মাঠে ইউরোপা কনফারেন্স লিগে ডাচ দল ভিটেসে আর্নহেমের বিপক্ষে কন্টেকে স্পার্সদের ডাগ আউটে দেখা যাবে। এছাড়া রোববার এভারটনের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচের মাধ্যমে তিনি ইংলিশ লিগে ফিরবেন। এর আগে বছরের শুরুতে বরখাস্ত হওয়া হোসে মরিনহোর স্থানে কন্টেকে দায়িত্ব গ্রহনের অনুরোধ জানানো হলেও ঐ সময় তা প্রত্যাখান করেছিলেন।
২০০৮ সালের পর থেকে টটেনহ্যাম কোন ধরনের শিরোপা জিততে পারেনি। ২০১৯ সালে সাবেক বস মরিসিও পোচেত্তিনোর অধীনে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেলেছিল। পোচেত্তিনোর অধীনে স্পার্সরা নিয়মিত ভাবেই প্রিমিয়ার লিগে শীর্ষ চার অবস্থানের মধ্যে ছিল। কিন্তু তারপর থেকেই তাদের অবনমন শুরু হয়। গত দুই মৌসুম ধরে তারা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে ব্যর্থ হয়েছে।
গত ৩০ জুন ৪৭ বছর বয়সী নুনোকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল। এর আগে এপ্রিলে মরিনহোকে বরখাস্ত করার পর কোচের পদটি খালি ছিল।
মৌসুমের শুরুতে তিনটি ম্যাচে ১-০ গোলে করে জয়ী হয়ে টটেনহ্যাম প্রিমিয়ার লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান দখল করে। এর মধ্যে একটি জয় ছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে। কিন্তু এরপর গত সাত ম্যাচের পাঁচটিতেই পরাজিত হয়ে বর্তমানে শীর্ষে থাকা চেলসির তুলনায় ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে।
নুনোর অধীনে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় ১৭ ম্যাচে সাতটিতে জয়ী হয়েছে টটেনহ্যাম।
নতুন নিয়োগ প্রসঙ্গে কন্টে বলেছেন, কোচিংয়ে ফিরতে পেরে আমি দারুণ খুশী, তার উপর আবার প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবে। টটেনহ্যামের রয়েছে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্টেডিয়াম। এই দলের সাথে কাজ করতে মুখিয়ে আছি। বিশেষ করে এখানকার সমর্থকরা অসাধারন।