অবশ্য চতুর্থ দিনের শুরুটা বেশ ভালই করেছিল ইংল্যান্ড। ১০ রানের মধ্যেই অজিদের তিন উইকেট নিয়ে অল্প আশার আলো জাগিয়েছিলেন ইংল্যান্ড বোলাররা। তবে প্রথম ইনিংসে শতরানের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ফের ঝলসে ওঠে মার্নাস লাবুশেনের ব্যাট।
সাজঘরে ফেরার আগে ট্রেভিস হেড ও লাবুশেনের (উভয়েই ব্যক্তিগত ৫১ রান করেন) ৮৯ রানের পার্টনারশিপের মাধ্যমে ইংল্যান্ডের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়। লোয়ার অর্ডারে ক্যামরন গ্রিনের দ্রুত গতির ৩৩ ইংলিশদের কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দেয়।
.png)
শেষ পর্যন্ত নয় উইকেটের বিনিময়ে ২৩০ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ডিক্লেয়ার দেয় অস্ট্রেলিয়া। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্যে দাঁড়ায় ৪৬৮ রান।
ব্যাটে নেমে শুরুতেই ওপেনার হাসিব হামিদকে শূন্য রানে হারায় ইংল্যান্ড। ররি বার্নস (৩৪) ও ডেভিড মালান (২৩) কিছুটা চেষ্টা করেও অল্প রানে সাজঘরে ফিরে যান। ওয়ার্ম আপে চোট পাওয়ায় দিনের শুরুতে ফিল্ডিংয়ে না নামলেও ব্যাটিংয়ে নামেন রুট।
আরো একবার ইংল্য়ান্ডকে ভরসা প্রদান করছিল রুটের ব্যাট। তবে দিনের শেষ বলে মিচেল স্টার্ক রুটকে ২৪ রানের সাজঘরে ফেরান। ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল অ্যাসেজ চেজের নায়ক বেন স্টোকস (৩) আপাতত ক্রিজে রয়েছেন। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের স্কোর চার উইকেটের বিনিময়ে ৮২ রান।