ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

শচীনের প্রতিবাদে পারিশ্রমিক বুঝে পেলেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:২৩, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
শচীনের প্রতিবাদে পারিশ্রমিক বুঝে পেলেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা
ফাইল ছবি

বিভিন্ন দেশের সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গত বছর আয়োজিত হয়েছিল রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজ। যেখানে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশের একটি দলও। সম্প্রতি বাংলাদেশের সেই দলের ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক বকেয়া থাকার গুঞ্জন ওঠে।

এমতাবস্থায় প্রতিবাদ করেন ভারতীয় কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার। আর এর ফলে বেশ দ্রুতই রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজের পারিশ্রমিক বুঝে পেয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা। টুর্নামেন্টের আগামী আসরগুলোতেও অংশ নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারা।

বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক পরিশোধ না করার বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে ভারতকে গত আসরে নেতৃত্ব দেওয়া কিংবদন্তি শচীন রোড সেফটি ওয়ার্ল্ড সিরিজ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। ভারতীয় গণমাধ্যমে খবরটি প্রচার হলে বিষয়টি আয়োজকদের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করে।

Advertisement

ঘটনা যেন বেশিদূর না গড়ায় তাই এরপর দ্রুতই পরিশোধ করা হয়েছে সব ক্রিকেটারের বকেয়া পারিশ্রমিক। এ বিষয়ে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল বলেন, ‘পারিশ্রমিক নিয়ে কিছু জটিলতা ছিল। কোভিড পরিস্থিতি ও সবকিছু বুঝতে পারছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের পুরো পারিশ্রমিক বুঝে পেয়েছি। পরের মৌসুমের জন্য শুভকামনা রইল।’ এছাড়া সাবেক অধিনায়ক রাজিন সালেহ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, করোনাকালে পারিশ্রমিক দিতে একটু দেরি হলেও পরের মৌসুমে খেলার সুযোগ পেলে হাতছাড়া করতে চান না তিনি।

রাজিন বলেন, ‘সাবেকদের জন্য এটা দারুণ এক টুর্নামেন্ট ছিল। আয়োজনও দারুণ ছিল। পারিশ্রমিক নিয়ে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছিল। তবে তারা সব পারিশ্রমিক পরিশোধ করে দিয়েছে। আগামী আসরেও সুযোগ পেলে খেলতে চাই।’

বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের দাবি, তারা পারিশ্রমিক না পাওয়ার বিষয়টি তারা নিজ থেকে কোনো গণমাধ্যমকে অবহিত করেননি। তাদের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে পারিশ্রমিক পরিশোধ করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। সেই গ্রুপে ছিলেন টুর্নামেন্ট ও ক্রিকেটারদের সেতুবন্ধনের ভূমিকায় থাকা এজেন্টও।

বাংলাদেশ লিজেন্ডসের হয়ে অংশ নেয়া ক্রিকেটার মোহাম্মদ শরীফ বলেন, ‘আমাদের চুক্তি হয়েছে এজেন্টের মাধ্যমে। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সেই এজেন্ট ছিল। অনেকে ২৫ বা ৫০ শতাংশ পারিশ্রমিক পেয়েছিল, আমি তখন এক পয়সাও পাইনি। স্বাভাবিকভাবেই একটু মন খারাপ ছিল।’

হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে গল্পচ্ছলে বেরিয়ে আসে পারিশ্রমিক না পাওয়ার বিষয়টি, এমন দাবি করে শরীফ আরো বলেন, ‘শীর্ষস্থানীয় ম্যানেজমেন্টের কেউ রাগ করে থাকলে দুঃখিত। দ্বিতীয় আসর খেলার অনেক ইচ্ছা আছে।’

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!