নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরলেও শ্রীশান্ত খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। দুই দফা আইপিএল নিলামে নাম দিয়েও দল পাননি। ঘরোয়া অন্যান্য টুর্নামেন্টেও আগের মত মূল্য পাচ্ছিলেন না তিনি।
সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানবেন এখনই। এই সিদ্ধান্ত নেয়ায় কোনো আফসোস নেই বলে দাবি করেছেন ৩৯ বছর বয়সী পেসার।
.png)
শ্রীশান্ত বলেন, ‘আমার পরিবার, আমার সতীর্থ এবং ভারতের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা বড় গর্বের বিষয়। আর যারা খেলা ভালোবাসেন তাদের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা এক। অনেক দুঃখের সাথে কিন্তু কোনোরকম আফসোস ছাড়াই, আমি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে এটি বলছি- আমি ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি।’
শ্রীশান্ত জানিয়েছেন, তরুণদের সুযোগ দেওয়ার জন্যই তার এমন সিদ্ধান্ত। তিনি বলেন, ‘পরবর্তী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের জন্য ক্যারিয়ার শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তটি আমার একার, যদিও আমি জানি সিদ্ধান্তটি আমাকে খুশি এনে দেবে না। তবে এটি আমার জীবনের এই সময়ে নেওয়া সঠিক এবং সম্মানজনক পদক্ষেপ।’
২০১৩ সালে আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগে শ্রীশান্তকে আজীবন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। যদিও শ্রীশান্তের আপিলের প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে শাস্তির মাত্রা কমিয়ে আনা হয়েছিল। শ্রীশান্ত নিজের বাবা-মায়ের নাম নিয়েও নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন, এমনকি এখনো নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।
উচ্ছশৃঙ্খল আচরণের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে ভারতীয় কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়ের দিকে রেগেমেগে তেড়ে যাওয়ার ন্যাক্ক্যারজনক অভিযোগও আছে। ভারতের ২০১১ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি।