দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আগের ২১টি ওয়ানডে খেলেছে বাংলাদেশ। জয় আছে ৪টি, হার ১৭টি। চারটি জয়ই ঘরের মাঠে বা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টা্ইগারদের।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়টি এসেছিলো ২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপে। গায়ানার প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে ঐ ম্যাচের জয়ের নায়ক ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ব্যাট হাতে ৮৩ বলে ১২টি চারে ৮৭ রান করেছিলেন তিনি। অ্যাশের ব্যাটিং নৈপুন্যে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৫১ রান করেছিলো বাংলাদেশ।
.png)
এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৮৪ রানেই গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা। আব্দুর রাজ্জাক ৩টি, সৈয়দ রাসেল-সাকিব আল হাসান ২টি করে উইকেট নেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ও তৃতীয় জয়, ২০১৫ সালে। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছিলো টাইগাররা। তবে সিরিজের শুরুটা জয় দিয়ে করেছিলো দক্ষিণ আফ্রিকাই। ৮ উইকেটে জিতেছিলো প্রোটিয়ারা।
সিরিজে পিছিয়ে পড়েও, মিরপুরে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুড়ে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। বোলারদের দুর্দান্ত নৈপুন্যে ১৬২ রানে অলআউট হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর ওপেনার সৌম্য সরকারের ৭৯ বলে ৮৮ রানের সুবাদে ৭ উইকেটে জিতেছিলো বাংলাদেশ।
সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ম্যাচেও ব্যাট-বল হাতে জ্বলে উঠে বাংলাদেশ। এবারও ব্যাটারদের জন্য কাজটা সহজ করে দেন বোলাররা। চট্টগ্রামে প্রথমে ব্যাট করা দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৬৮ রানের বেশি করতে দেয়নি বোলাররা। পরে সৌম্যের ৯০ রানের ঝলমলে ইনিংসে ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে বাংলাদেশ।
আর সর্বশেষ জয়টি ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে। দ্য ওভালে সাকিব আল হাসানের ৭৫ ও মুশফিকুর রহিমের ৭৮ রানের সুবাদে প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ৩৩০ রান করেছিলো বাংলাদেশ। জবাবে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ৩০৯ রান তুলে ম্যাচ হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। বিশ্বকাপের ঐ ম্যাচে ২১ রানে জিতেছিলো বাংলাদেশ।
তাই গায়ানা, মিরপুর, চট্টগ্রাম ও ওভালের পর জয়ের রেকর্ডে সেঞ্চুরিয়ান ও জোহানেসবার্গের নাম কি উঠাতে পারবে বাংলাদেশ দল, সেটি সময়ই বলে দিবে।