গত বছর ডিসেম্বরে কায়েদ-ই আজম ট্রফিতে খেলার সময়ই বুকে ব্যাথা অনুভব করেন আবিদ আলি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসতাপালে নেয়া হয়। শেষ পর্যন্ত তার অ্যাকিউট করোনারি সিনড্রোম (এসিএস) ধরা পড়ে। এর একদিন পরই তাকে অ্যানজিওপ্লাস্টি করা হয়।
অ্যানজিওপ্লাস্টির পর গত চারমাস তার কার্ডিয়াক রিহ্যাবিলিটেশন চলছিল। সম্প্রতি তাকে ফয়সালাবাদে টি-২০ খেলার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এখন পুরোপুরিভাবে তাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেয়া হলো।
.png)
অনুশীলনের সময় ট্রেডমিলে হাঁটা শুরু করতে পেরেছেন আবিদ। একই সঙ্গে মাঠের ট্রেনিংয়ের সময় নির্দিষ্ট গতিতে তাকে দৌড়াতেও বলা হয়।
গত মাস থেকেই লাহোরের হাই পারফরম্যান্স সেন্টারের নেটে ব্যাট করা শুরু করেছিলেন।
সম্প্রতি পিসিবি কর্তৃক তার বেশ কিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা হয়। এরপরই তাকে পিসিবি থেকে প্রতিযোগিতামূলক খেলার অনুমতি দেয়া হয়।
আবিদ আলি বলেন, আমি সত্যিই খুবই আনন্দিত যে পাকিস্তানের হয়ে আবারো খেলতে নামতে পারবো। মাঠে যাওয়ার জন্য ডাক্তররা আমাকে ক্লিয়ারেন্স দিয়েছেন এবং ফাইনালি আমি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পেরেছি। মাঝে-মধ্যে আমাকে কিছু ঔষধ গ্রহণ করতে হয়। কারণ’ মাঝে মাঝে এখনও কিছুটা সমস্য হয়। তবে, শারীরিকভাবে আমি এখন ভালোই আছি।
তিনি যোগ করেন, আমি ডাইভ দিই, রানিং করি, জগিং করি এবং ব্যাটিংও করে যাচ্ছি। সত্যি বলতে নরমাল লাইফে যে কী শান্তি! তবে সন্দেহ ছিল, আমি কি আর নরমাল লাইফে আসতে পারবো কি না। তবে আমি আশা ছাড়িনি। কিছু সময়ের জন্য আমি ক্রিকেট নিয়ে চিন্তা করা বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ওই সময় ফোকাস করেছি শুধু নিজের শারীরিক অবস্থাকে কিভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেদিকে।