পরিবারের এক সদস্যের করোনা ধরা পড়ায় সেই ম্যাচে দিল্লির ডাগআউটে ছিলেন না পন্টিং। হোটেলের ঘরে বসেই কোয়ারেন্টাইনে থেকে ম্যাচটি দেখতে হয়েছিল তাকে। আর এমন ম্যাচেই শিষ্যদের কাণ্ডজ্ঞান দেখে নিজের রাগ সামলাতে পারেননি তিনি।
সেই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে পন্টিং বলেন, খুব হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। মনে হয় তিন-চারটে রিমোট ভেঙেছি। কতগুলো বোতল যে রাগের চোটে দেওয়ালে ছুঁড়েছিলাম তা বলতে পারব না। কোচ হিসেবে সাইডলাইনে বসে মাঠে যা হচ্ছে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এক রকম অনুভূতি। কিন্তু মাঠে না থাকলে সেটা আরও হতাশাজনক।
.png)
কোয়ারেন্টাইন কাটিয়ে আবার দিল্লি দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন পন্টিং। বৃহস্পতিবার তারা কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে খেলবে। দলের কোথায় সমস্যা হচ্ছে সেটাও খুঁজে বের করেছেন পন্টিং।
তিনি বলেন, ম্যাচের বেশিরভাগ সময়টা আমরা নিয়ন্ত্রণ করছি। কিন্তু দু’-তিন ওভারে গিয়ে ম্যাচ হাত থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। সেটাই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিচ্ছে। ঠিক করেছিলাম মৌসুমের প্রথম দিকে অতিরিক্ত অনুশীলন করব না। কিন্তু এখন আমাদের দলে ধারাবাহিকতা নেই। সেই ছন্দটা আনতে হবে।