ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

অনলাইনে হেনস্তার শিকার ৫০ভাগেরও বেশি ফুটবলার

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:০১, ১৯ জুন ২০২২
অনলাইনে হেনস্তার শিকার ৫০ভাগেরও বেশি ফুটবলার
ফাইল ফটো

ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশীপে খেলা ফুটবলারদের শতকরা ৫০ ভাগেরও বেশি অনলাইনে হেনস্তার শিকার হন।  ফিফা প্রকাশিত সমীক্ষায় এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। তন্মধ্যে অধিকাংশ খেলোয়াড় নিজ দেশের ভক্তদের দ্বারা নিগৃহীত হন।

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক ঘৃণামূলক বক্তব্য প্রতিরোধ বিষয়ক নিরপেক্ষ প্রতিবেদনে বলা হয়,‘হেনস্তার জন্য ৪০ শতাংশ সমকামিতা ও ৩৮ শতাংশ বর্নবাদী মন্তব্য ব্যবহার করে থাকে’।

ইউরো ২০২০ ও ২০২১ এবং আফ্রিকান নেশন্স কাপ ২০২১ এর সেমিফাইনাল ও ফাইনালকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেয়া ৪ লাখেরও বেশি পোস্ট অনুসরণ করে কৃত্রিম ইন্টেলিজেন্স। যেখানে দেখা যায় ৫০ শতাংশেরও বেশি খেলোয়াড় অপমনামজনক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন।

Advertisement

আগামী ৫ মাস পর শুরু হতে যাওয়া কাতার বিশ্বকাপ ফুটবললের আগে  ফিফা জানিয়েছে , প্লেয়ার্স ইউনিয়নকে (ফিফপ্রো) সঙ্গে নিয়ে তারা সামাজিক মাধ্যমে খেলোয়াড়দের নিগৃহীত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

তারা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ঘৃন্য শব্দগুলো স্ক্যানের মাধ্যমে শনাক্ত করার চেস্টা করবেন। একবার সেটি শনাক্ত করা গেলে সেটিকে প্রাপকের কাছে পৌঁছানোর আগে আটকে দেয়া হবে। ফিফা জানায়, ‘যদিও মন্তব্যকারী তার মন্তব্য নিজের দেয়ালে দেখতে পাবেন, কিন্তু প্রাপকের কাছে সেগুলো খুব একটা পৌঁছাবে না’।

২০২০ সালের ইউরো ফাইনালে পেনাল্টি মিসের পর অনলাইনে অনুসরণ কারীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন ইংলিশ তারকা মার্কাস রাসফোর্ড, বুকায়ো সাকা ও জ্যাডন  সানচো। ফাইনালে ইতালির কাছে ইংল্যান্ড পরাজিত হওয়ার পর রাসফোর্ডকে টুইটারে অপমানসুচক বক্তব্যের কারণে ছয় সপ্তাহের কারাদন্ড দেয়া হয় এক টিনএজ ফুটবল ভক্তকে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে ফুটবলকে রক্ষা করা। আর সেটির মুলে রয়েছে খেলোয়াড়রা। যারা আমাদের জন্য উচ্ছাস ও আনন্দ বইয়ে আনে। দু:খের বিষয় হচ্ছে এখন একটি প্রথা চালু হয়েছে, যেখানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করে সরাসরি অপদস্থ করা হয় খেলোয়াড়, কোচ, ম্যাচ কর্মকর্তা ও দলকে। যেটি কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। ফুটবলে এর কোন স্থান নেই।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!