প্রথম ঘটনাটি ঘটেছিল ডারবানে। দ্বিতীয়টি ঘটল বার্মিংহামে। প্রথমবার ব্যাটার ছিলেন যুবরাজ সিং। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ব্যাটার জাসপ্রিত বুমরাহ। টি-২০ ম্যাচের এক ওভারে হয়েছিল ৩৬ রান। আর টেস্টের এক ওভারে হল ৩৫ রান। সেবার যুবরাজই ৩৬ রান করেছিলেন। এবার বুমরাহ করেছেন ২৯ রান। বাকি ৬ রান অতিরিক্ত।
এতো গেল অমিলের কথা। দুই ঘটনায় মিলও রয়েছে কিছু। প্রথমত ব্যাট করা দলের নাম ভারত। দ্বিতীয়ত ফিল্ডিং করা দল ইংল্যান্ড। তৃতীয়ত এবং সবথেকে বড় মিল বোলারের নাম স্টুয়ার্ট ব্রড। মোহাম্মদ শামিকে আউট করে টেস্ট ক্রিকেটে ৫৫০তম উইকেট নেয়ার উচ্ছ্বাস দীর্ঘস্থায়ী হল না ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ বোলারের। ভারতের ইনিংসের ৮৪তম ওভারের এই ঘটনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে ক্রিকেট বিশ্বে।
.png)
টেস্ট ক্রিকেটে এক ওভারে ৩৫ রান দেওয়ার ঘটনা এর আগে কখনো ঘটেনি। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার স্পিনার রবিন পিটারসনের এক ওভারে দেওয়া ২৮ রান। ২০০৩-০৪ মৌসুমে ব্রায়ান লারা এক ওভারে ২৮ রান নিয়েছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার জর্জ বেইলিও টেস্টের এক ওভারে ২৮ রান করেন। কিন্তু বাউন্ডারির হিসেবে লারা থেকে পিছিয়ে ছিলেন তিনি। এক ওভারে ২৯ রান করে লারার সেই রেকর্ডও ভেঙে দিলেন ভারতীয় দলের নতুন অধিনায়ক।
১৮ বছর পর লজ্জার রেকর্ডের ভারমুক্ত হয়ে ব্রডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পিটারসন। তিনি মজা করে বলেছেন, ‘রেকর্ডটা হারিয়ে খারাপ লাগছে। রেকর্ড অবশ্য গড়াই হয় ভাঙার জন্য।’
এক ওভারে ব্রডের ৩৫ রান দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন রবি শাস্ত্রীও। ভারতীয় দলের সাবেক কোচ লিখেছেন, ‘আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনার সেরাটা দেখা হয়ে গেছে, তাহলে এই টেস্ট আপনাকে বিস্মিত করবে।’
এই লেখার সঙ্গে তিনি দু’ম্যাচের ব্যাটার-বোলারদের ছবিও পোস্ট করেছেন। টুইট করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও।
টেস্ট জীবনের জঘন্যতম ওভার করার পর ব্রডের মুখে দেখা গিয়েছে হতাশার হাসি। অবশ্য বুমরাহ তখন বেশ খুশি। দলকে ভাল জায়গায় পৌঁছে দিলে অধিনায়ক তো খুশি হবেনই!