ওয়ানডে ক্রিকেট ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে: খাজা
হুট করেই ক্রিকেটের ওয়ানডে সংস্করণকে ‘বিদায়’ বলে দিয়েছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার বেন স্টোকস। এতেই এই ফর্মেট নিয়ে উঠেছে নানা রকম প্রশ্ন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণের ঠাসা সূচি ক্রিকেটারদের মানসিক ও শারীরিক অবসাদের কারণ এটা তারই একটা প্রমাণ।
অস্ট্রেলিয়ার তারকা ওপেনার উসমান খাজার মতে, ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ানডে ক্রিকেট। যে কারণে ইংল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের ওয়ানডে থেকে অবসরের খবর অবাক হননি খাজা।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলতি ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ খেলে এই ফরম্যাট ছেড়ে দিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী স্টোকস। ইংল্যান্ডের ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের অবিসংবাদিত নায়ক নিজের ক্যারিয়ারে খেলেছেন মাত্র ১০৫টি ওয়ানডে।
.png)
অবসরের ঘোষণা দেওয়া বিবৃতিতে একের পর এক খেলার ক্লান্তির কথা উল্লেখ করেছিলেন স্টোকস। কর্তৃপক্ষের ওপর ক্ষোভ ঝেড়ে তিনি বলেছিলেন, আমরা খেলোয়াড়রা মোটরগাড়ি নই যে, তেল ভরলেই চলা শুরু করবো।
বাস্তবিক চিন্তা করেই একসঙ্গে তিন ফরম্যাট না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্টোকস। প্রায় একই পথের পথিক অজি ওপেনার খাজা। ২০১৯ সালের পর অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আর সীমিত ওভারের ক্রিকেট খেলেননি এ বাঁহাতি ওপেনার। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে রয়েছে খাজার উপস্থিতি।
তার ভাষ্য, ‘আমার একান্ত নিজস্ব মতামত হলো, টেস্ট ক্রিকেট এখন চূড়া। আবার আছে টি-২০ ক্রিকেট, যেগুলোর অনেক লিগ রয়েছে। সবাই এটি পছন্দ করে’।
খাজা আরো যোগ করেন, ‘এরপর আসে ওয়ানডে ক্রিকেট। আমার মতে, এটি এখন তিন নম্বরে রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে ওয়ানডে ক্রিকেট। হ্যাঁ এখনও ওয়ানডে বিশ্বকাপ রয়েছে, যা সত্যিই উপভোগ্য। তবে এর বাইরে আমি তেমন আগ্রহ পাই না’।
উসমান খাজা মনে করেন বর্তমানে ক্রিকেটের যে সূচি, তাতে কোনো ক্রিকেটারের পক্ষেই সমানতালে তিন সংস্করণে খেলে যাওয়া সম্ভব নয়। তিনি রসিকতা করেই বলেছেন, কোনো ক্রিকেটার তিন সংস্করণে মনোযোগ দিলে সে বছরে একটি দিনও নিজের পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে থাকতে পারবে না।