সাকিব মানেই যেনো একের পর এক বিতর্ক। একবার তো মজার ছলে সাংবাদিকদের বলেই বসেন, এসব কাণ্ড না ঘটালে সংবাদ হবে কি করে। সাংবাদিকরা নিউজ পাবে কোথায়? আর এরই সত্যতা প্রমাণে কিছুদিন পরপর এমন সব কাণ্ড তিনি ঘটিয়ে যাচ্ছেন যা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে বারবার।
আসন্ন এশিয়া কাপের জন্য বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশের দল ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু সাকিব আল হাসানের বেটউইনার নিউজ সম্পর্কিত বিতর্কে এখন পর্যন্ত দল নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
.png)
এদিকে বিসিবির চাপে বেটউইনার নিউজের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের বিষয় নিশ্চিত করেছেন সাকিব। তবে চুক্তি বাতিল হলেও চুক্তির টাকা ফেরৎ দিতে হবে না বলে জানা গেছে।
এর আগে জুয়াড়ির তথ্য গোপন করে এক বছর নিষিদ্ধ হয়েও শিক্ষা হয়নি সাকিব আল হাসানের। তিনি ফের জুয়া কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছেন। তারপর ফেসবুকে ফলাও করে সেটা প্রচারও করেছেন।
চুক্তি বাতিলের আগ পর্যন্ত সাকিবের ফেসবুক ওয়ালে পোস্টটি ঘুড়তে দেখা যায়। যদিও পরে মুছে ফেলেন জুয়া বিষয়ক সে পোস্ট ।
কিন্তু তাতে কী? লাভের গুড় তো ঠিকই খেয়ে নিল 'বেটউইনার' নামের ওই কোম্পানি। যাদের সঙ্গে সাকিব কয়েক কোটি টাকার চুক্তি করেছিলেন বলে গুঞ্জন রয়েছে।
সাকিবের এই কেলেঙ্কারির আগে 'বেটউইনার' নামের একটা বেটিং সাইটের খবর কিছু লোক জানতেন। তবে তাদের নিউজ বিষয়ক সাইটের খবর কেউই জানত না। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে চুক্তি করার পরবর্তী যে ঘটনাগুলো ঘটল, তাতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রচার পেয়ে যায়।
তাই শোনা যাচ্ছে, সাকিবকে নাকি চুক্তির টাকাও ফেরত দিতে হবে না। চুক্তির টাকার বড় অংশই নাকি সাকিব এরইমধ্যে পেয়ে গেছেন। একটি সূত্র দাবি করেছে, সেই টাকা আর ফেরত চাইবে না বেটউইনার কর্তৃপক্ষ। ফেরত নেবেই বা কেন? সাকিব তো তাদের প্রয়োজনীয় প্রচারটা করেই দিয়েছেন।
আরও একটি সূত্রের দাবি, সাকিব আগেই জানতেন যে এই চুক্তি নিয়ে জলঘোলা হবে। বিতর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে কোম্পানির প্রচার এবং একটা পর্যায়ে চুক্তি বাতিল করাটা ছিল দুই পক্ষের পরিকল্পনারই একটি অংশ। আর তাই সাকিব চুক্তির বিষয়ে বিসিবিকে কিছু জানাননি। অনুমতিও নেননি।
তবে দিনশেষে ঘুরে ফিরে একটা কথাই আসছে বারে বার। টাকার লোভেই নাকি সাকিব ফের বিপথগামী হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি তরুণদের জন্য বাজে উদাহরণও সৃষ্টি করেছেন।