কিছু দিন আগেই ওয়ানডে ফরম্যাট থেকে অবসর নিয়েছেন বেন স্টোকস। ওয়ানডে ফরম্যাট খেলতে চান না বলে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন ট্রেন্ট বোল্ট। বলা যায় ওয়ানডে নিয়ে আগ্রহ হারাচ্ছেন একের পর এক ক্রিকেটার।
একাধিক সাবেক ক্রিকেটারও ওয়ানডে ফরম্যাট বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে। স্ট্রসও মনে করছেন, টেস্ট এবং টি-২০র মাঝে ওয়ানডে ফরম্যাটের কোনো জায়গা নেই।
.png)
ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের দেশে টেস্ট ক্রিকেটের এখনো কিছু জনপ্রিয়তা রয়েছে। জানি অনেক দেশেই টেস্ট আয়োজন করে খরচ ওঠে না। টি-২০ ক্রিকেট এসে যাওয়ার পর অনেকেই শুধু ২০ ওভারের ক্রিকেট খেলতে চাইছে। আমার মনে হয়, টেস্ট এবং টি-২০ ক্রিকেট পাশাপাশি স্বচ্ছন্দে চলতে পারে।’
স্ট্রস এখন ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান। তার মতে, দু’ধরনের ক্রিকেট সমানভাবে চালাতে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে প্রশাসকদের। স্ট্রস বলেন, ‘ক্রীড়াসূচি এমন ভাবে তৈরি করতে হবে, যাতে ক্রিকেটাররা টেস্ট এবং টি-২০ খেলতে সমস্যায় না পড়ে।’
আগামী দিনে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আরো বাড়বে বলে মনে করেন স্ট্রস। তার দাবি, এই পরিবর্তনটা মেনে নিতে হবে। ওয়ানডে ফরম্যাটের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী নন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশঙ্কা উড়িয়ে দেননি।
স্ট্রস বলেন, ‘অনেক ক্রিকেটার বছরের ১২ মাসই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এমন চললে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কমে যাবে। ক্রিকেটাররা তো সুযোগ কাজে লাগাতে চাইবেই। ওরা নিজেদের ভাল বেছে নিতেই পারে। কীভাবে আটকাবেন ওদের?’
তিনি আরো বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটকে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। যাতে ক্রিকেটাররা শুধুই সাদা বলের ক্রিকেটের দিকে না ছোটে। তবে এখনো বহু ক্রিকেটার নিজেকে টেস্টে ক্রিকেটে প্রমাণ করতে চায়। নিজেদের সেরাটা টেস্টে তুলে ধরতে চায়। তাই টেস্ট নিয়ে চিন্তা নেই।’