এরই মাঝে বৃষ্টির হানায় খেলা বন্ধ হয়েছে। এর আগে ৯ ওভারে চার উইকেটে ৬৯ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ নয় উইকেটে ১৮৫ রান।
বৃষ্টি আইন তথা ডার্ক ওয়ার্থ লুইস মেথড অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকার এ সময় ৮৪ রান করতে হতো। অর্থাৎ প্রোটিয়ারা ১৫ রানে পিছিয়ে আছে। ম্যাচ আর মাঠে না গড়ালে জিতবে পাকিস্তান।
.png)
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে রান তাড়া করতে নেমে রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন কুইন্টন ডি কক। ৭ রানের বেশি করতে পারেননি রাইলি রুশোও। এরপর অবধ্য প্রতিরোধ গড়ে তোলেন টেম্বা বাভুমা ও এইডেন মার্করাম।
তবে ইনিংসের অষ্টম ওভারে আক্রমণে এসেই ম্যাচের গতিপথ পাল্টে দেন শাদাব খান। প্রথমে ৩৬ রান করা বাভুমা ও এক বল বিরতি দিয়ে ২০ রান করা মার্করামকে সাজঘরে ফেরান তিনি। এর কিছু পরই নামে বৃষ্টি।
এর আগে বৃহস্পতিবার টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। দলের হয়ে তার সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। বাজে ব্যাটিং ফর্ম থেকে বেরোতে পারেননি কেউই, ফেরেন যথাক্রমে ৪ ও ৬ রানে।
এ ম্যাচে সুযোগ পাওয়া মোহাম্মদ হারিস ১১ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার বিদায়ের পর দ্রুত ফেরেন ২ রান করা শান মাসুদ। মোহাম্মদ নাওয়াজ এদিন করেন ২৮ রান।
৯৫ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে কিছুটা বিপদে পড়ে পাকিস্তান। সেখান থেকে ৮২ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন ইফতিখার আহমেদ ও শাদাব খান। দুজনেই ফিফটি হাঁকান। সাজঘরে ফেরার আগে করেন যথাক্রমে ৫১ ও ৫২ রান।
শেষদিকে পাকিস্তানের আর কেউই রান করতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ৪ উইকেট নেন আনরিখ নর্তিয়ে। এছাড়া কাগিসো রাবাদা, ওয়েন পারনেল, লুঙ্গি এনগিদি ও তাবরাইজ শামসি প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট শিকার করেন।