এবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফ্রাঞ্চাইজিরা নজর রেখেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের ওপর। এমনটাই জানাচ্ছে কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা।
আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আইপিএলের মিনি নিলাম। ওই নিলামে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার ঠাঁই পেতে পারেন বলে জানায় গণমাধ্যমটি। আপাতত যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে বাংলাদেশের তিন ক্রিকেটারকে নিয়ে কিছুটা কাড়াকাড়ি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন ভারতীয় ক্রিকেটমহল।
.png)
কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা এরই মধ্যে তিন ক্রিকেটারের কথা লিখে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করে আজ। বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে এই তিন ক্রিকেটার হলেন তাসকিন আহমেদ, লিটন দাস এবং সাকিব আল হাসান। আনন্দবাজার আলাদা আলাদা করে তাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করেছে। তাদের সে মূল্যায়ন পাঠকদের সামনে তুলে ধরা হলো।
লিটন দাস
এবারের বিশ্বকাপে খুব ভাল খেলেছেন লিটন। বিশেষ করে ভারতের বিরুদ্ধে তার ইনিংস মুগ্ধ করেছে বিরাট কোহলিকেও। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের সাজঘরে গিয়ে লিটনকে নিজের ব্যাট উপহার দিয়ে এসেছেন কোহলি। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বড় শট খেলার সহজাত দক্ষতা রয়েছে লিটনের। পেসারদের বিরুদ্ধে সামনের পায়ে খেলতে পারেন।
উপমহাদেশের উইকেটেও সফল এই ডানহাতি ব্যাটার। টি-টোয়েন্টিতে ৬৩টি ম্যাচে ১৩১৮ রান করেছেন লিটন। স্ট্রাইক রেট ১২৬.৪৮। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি উইকেটরক্ষকের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। অর্থাৎ, দলে অতিরিক্ত উইকেটরক্ষক হিসাবে রাখা যেতে পারে তাকে। এবারের নিলামে তার দিকে নজর রাখতে পারে দলগুলি।
তাসকিন আহমেদ
বল হাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছেন তাসকিন আহমেদ। তার সতীর্থ মোস্তাফিজুর রহমান আইপিএলে খেললেও এবারের বিশ্বকাপে মোস্তাফিজকে ছাপিয়ে গেছেন তাসকিন। তার গতি সামলাতে হিমশিম খেয়েছেন বড় বড় ব্যাটাররা। বিশ্বকাপে ৮টি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন।
নতুন বলে উইকেট নেওয়ার দক্ষতার জন্য তার দিকে নজর দিতে পারে আইপিএলের বেশ কিছু দল। ছোট ফরম্যাটের জন্য তাসকিন খুব ভয়ঙ্কর বোলার। কারণ, চার ওভারই একই গতিতে বল করতে পারেন তিনি। তাছাড়া ব্যাট হাতেও বড় শট খেলতে পারেন তাসকিন। সেটাও নজরে থাকবে দলগুলোর।
সাকিব আল হাসান
এবারের বিশ্বকাপ ভাল যায়নি সাকিবের; কিন্তু তার দক্ষতা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই। ব্যাট হাতে রান না পেলেও বল হাতে খুব একটা খারাপ খেলেননি তিনি।
কয়েক বছরে আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে খেলা সাকিব গতবার দল পাননি। কিন্তু দলের ফাঁক ভরাট করার জন্য তার দিকে তাকাতে পারে ফ্রাঞ্চাইজিগুলি। সাকিবের মতো অলরাউন্ডার যে কোনও দলের অন্যতম প্রধান ভরসা।