২০১৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালের শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৯ রান দরকার পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের। শেষ ওভার করতে আসা স্টোকসের প্রথম চার বলে চারটি ছক্কা মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ঐতিহাসিক জয় এনে দেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভঙ্গ হওয়ায় লজ্জায় সে দিন মুখ ঢেকেছিলেন স্টোকস।
কিন্তু অন্যদের মতো নয়, দুঃস্বপ্নকে পেছনে ফেলে শক্তিশালী রুপে ফিরে আসেন স্টোকস। ইংল্যান্ডের হয়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচ জিতে ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই নিজেকে দলের অপরিহার্য হিসেবে প্রমান করেছেন তিনি।
.png)
তারপরও ২০১৬ সালের ফাইনালের শেষ ওভার নিয়ে সব সময় কথা বলতে হয়েছে তাকে। সুযোগ পেলে দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলতে বদ্ধপরিকর ছিলেন স্টোকস।
মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডের (এসসিজি) আইকোনিক ভেন্যুতে দুঃস্বপ্ন ভোলার সুযোগ পান স্টোকস। সকল মহাতারকাদের মত সুযোগটি ভালোভাবে কাজে লাগিয়েছেন তিনি।
প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৩৭ রান করে পাকিস্তান। জবাবে ইংল্যান্ড ৪৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে মহাচাপে পড়ে । তখন ক্রিজে ছিলেন স্টোকস। ঐসময় ইংল্যান্ডের উপর আরও চাপ বাড়াতে মরিয়া ছিলেন পাকিস্তানের বোলাররা।
চতুর্থ উইকেটে হ্যারি ব্রুককে সাথে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩৯ রানের জুটি গড়েন স্টোকস। এই জুটির কল্যাণে কিছুটা চাপমুক্ত হয় ইংল্যান্ড। পরে ১ ওভার বাকী থাকতে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান স্টোকস। ৫ উইকেটের জয়ে শিরোপা ঘরে তুলে ইংল্যান্ড।
শুধুমাত্র ব্যাট হাতে অপরাজিত ৫২ রানই নয়, বল হাতে ৪ ওভারে ৩২ রানে ১ উইকেট নেন স্টোকস।
ফাইনাল শেষে স্টোকস বলেন, ফাইনালে, বিশেষ করে রান তাড়ায়, আপনি প্রথমে সকল কঠোর পরিশ্রম ভুলে যাবেন। তাদের ১৩৭ রানে আটকে রাখতে বোলারদের অনেক কৃতিত্ব দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রতিযোগিতার শুরুতে আয়ারল্যান্ডের কাছে হারের পর আমরা বুঝতে পেরেছিলাম এভাবে টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাওয়া যাবে না। সেরা দলগুলো এটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখে এবং পরের ধাপে এগিয়ে যায়। এটি আমাদের জন্য একটি সুন্দর সন্ধ্যা।