তবে পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী ব্রাজিলের কোচ তিতে, সাপোর্টিং স্টাফ ও তিন ফুটবলার ইতালির রাজধানী তুরিনে পৌঁছেছেন। মানে এখান থেকেই তাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হতে যাচ্ছে।
রোববার তারা ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো বিমান বন্দর থেকে তুরিনে আসেন। তিন ফুটবলাররা হলেন গোলরক্ষক ওয়েভার্টন, মিডফিল্ডার এভারটন রিবেইরো ও স্ট্রাইকার পেদ্রো।
.png)
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলের বাকি খেলোয়াড়রা ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলছেন। তারা শিগগিরই দলের সঙ্গে যোগ দিবেন। সেখানে তারা জুভেন্টাসের মাঠে ১৮ তারিখ পর্যন্ত অনুশীলন করবে। এরপর ১৯ নভেম্বর কাতারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবে।
রিও ডি জেনিরো বিমানবন্দরে তাদের বিদায় জানাতে আসেন ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের সভাপতি এডলান্ডো রদ্রিগুয়েজ। রদ্রিগুয়েজ জানান, ব্রাজিল এবার হেক্সা জিতবে। তারা বিশ্বকাপের শিরোপা জেতার জন্য, বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই যাচ্ছে।
আগামী শনিবার কাতারের দোহায় পৌঁছালেও নেইমার-ভিনিসিউসরা বিশ্বকাপ মিশনে মাঠে নামবে ২৫ নভেম্বর। এদিন রাত ১টায় ‘জি’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ সার্বিয়া।
এরপর ২৮ নভেম্বর রাত ১০টায় সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা। আর ৩ ডিসেম্বর রাত ১টায় গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ক্যামেরুন।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড:
গোলকিপার:
আলিসন, এডারসন ও ওয়েভার্টন।
ডিফেন্ডার:
ব্রেমের, এডার মিলিতাও, মারকুইনহোস, থিয়াগো সিলভা, দানিলো, দানিয়েল আলভেস, অ্যালেক্স সান্দ্রো ও অ্যালেক্স তেল্লেস।
মিডফিল্ডার:
ব্রুনো গুইমারায়েস, কাসেমিরো, এভারটন রিবেইরো, ফ্যাবিনহো, ফ্রেড ও লুকাস পাকুয়েতা।
ফরোয়ার্ড:
অ্যান্টন, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, নেইমার জুনিয়র, পেদ্রো, রাফিনহা, রিচার্লিসন, রদ্রিগো ও ভিনিসিউস জুনিয়র।